22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড শুল্ক হুমকিকে সম্পূর্ণ ভুল বলে

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড শুল্ক হুমকিকে সম্পূর্ণ ভুল বলে

১৯ জানুয়ারি সোমবার, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার গ্রিনল্যান্ড ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্ক হুমকিকে “সম্পূর্ণ ভুল” বলে চিহ্নিত করে পরিস্থিতির তীব্রতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ডেনমার্কের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড বিক্রির চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক নীতি কোনো সমাধান নয়।

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, এবং জুন মাসে তা ২৫ শতাংশে বাড়ানো হবে। এই পদক্ষেপটি ডেনমার্কের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড বিক্রির চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত চালু রাখার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

স্টারমার এই নীতি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করে বলেন, বাণিজ্যিক সংঘর্ষের ফলে সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটবে এবং দৈনন্দিন পণ্যের দাম বাড়বে, যার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে সাধারণ ভোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এমন কোনো শুল্ক ব্যবস্থা কোনো দেশের স্বার্থে কাজ করবে না।

গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ওই অঞ্চলের জনগণ ও ডেনমার্কের হাতে রয়েছে, এ কথাটিও স্টারমার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন। তিনি যুক্তি দেন, যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করা আন্তর্জাতিক নীতির নীতির বিরোধী।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা কম, তবে এই ধরনের উত্তেজনা সমাধানে মিত্র দেশগুলোর মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কূটনৈতিক সংলাপই সমস্যার মূল সমাধান।

ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বহু বছর ধরে মজবুত এবং অটুট। তিনি এপ্রিলে যুক্তরাজ্যের রাজার যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় সফরের কথা উল্লেখ করে, ওয়াশিংটন সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার কথা জানান। তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার পাশাপাশি ইউক্রেন সংকটে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার পরিকল্পনা উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক সক্ষমতা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে, এই ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনরায় জানান। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, বাণিজ্যিক টানাপড়েন সত্ত্বেও পারস্পরিক সম্মান ও সংলাপের মাধ্যমে বর্তমান উত্তেজনা সমাধান করা সম্ভব।

শেষে স্টারমার উল্লেখ করেন, বর্তমান শুল্ক বিরোধের সমাধান কেবল পারস্পরিক বোঝাপড়া ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব, এবং উভয় দেশই এই দৃষ্টিকোণ থেকে কাজ চালিয়ে যাবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments