22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধউত্তরা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মীর হত্যাকাণ্ডে বাচ্চু মিয়ার তিন দিনের রিম্যান্ড

উত্তরা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মীর হত্যাকাণ্ডে বাচ্চু মিয়ার তিন দিনের রিম্যান্ড

ঢাকা শহরের একটি আদালত আজ উত্তরা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী মহবুব আলামের হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন বাচ্চু মিয়াকে তিন দিনের রিম্যান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। বাচ্চু মিয়াকে পুলিশের হস্তক্ষেপে আদালতে হাজির করা হয় এবং রিম্যান্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়।

অধিকাংশ প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রিম্যান্ডের আবেদন গ্রহণ করে রায় দেন। আদালতে পুলিশ সাত দিনের রিম্যান্ডের আবেদন উপস্থাপন করলেও, বিচারক তিন দিনের সীমা নির্ধারণ করেন। এই রায়টি মামলার পরবর্তী তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাচ্চু মিয়াকে গতকাল চট্টগ্রামের চৌকবাজারে হোটেল অ্যাভালন পার্কের নিকটস্থ এলাকায় গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকালে পুলিশ তার সঙ্গে সংযুক্ত প্রমাণাদি তুলে ধরে, যা তাকে এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত করার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

মহবুব আলাম, ৫৭ বছর বয়সী, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী এবং নিরাপত্তা সেবায় নিযুক্ত ছিলেন। তিনি পূর্বে দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করতেন এবং তার কাজের জন্য একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ১২ গেজ শটগান ছিল।

১৬ জানুয়ারি, ঢাকা উত্তরা সেক্টর‑১৪-এ মহবুব আলামকে রোড‑১২-এ অপহরণের সময় গুরুতর আঘাত হানেন। আহত অবস্থায় তিনি সিএমএইচ-তে ভর্তি হন এবং দুই দিন পরই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে পরিবার ও নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়ে।

মহবুবের পুত্র আব্দুল্লাহ ইসমা আজাম ১৭ জানুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানা-তে একটি ‘প্রয়াসী হত্যাকাণ্ড’ মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তের ফলস্বরূপ মামলাটি ‘হত্যা’ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

মহবুব আলাম নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী একটি সংস্থার মাধ্যমে কাজ করতেন এবং তার শটগানটি সরকারী লাইসেন্সের অধীনে ছিল। এই তথ্যটি মামলার প্রমাণপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেই দিন বিকেল ২:৫১ টায় মহবুব তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। সন্ধ্যা ৬:৪৮ টায় উত্তরা সেক্টর‑১৪-এ একটি সাদা টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো, একটি নিসান এক্স‑ট্রেইল এবং একটি মোটরসাইকেল উপস্থিত হয়।

মহবুব প্রাডোর দরজা খুলে একজনকে নামিয়ে দিতে গিয়ে, এক্স‑ট্রেইল থেকে চারজন এবং মোটরসাইকেল থেকে দুইজন আক্রমণকারী তার দিকে এগিয়ে আসে। একজন আক্রমণকারী কাঠের লাঠি দিয়ে তার মাথা আঘাত করেন, আর অন্যজন তার নিজের শটগান দিয়ে চোয়াল ভেঙে দেন।

আক্রমণকারীরা শটগানটি নিয়ে নেয় এবং প্রাডো থেকে নামা ব্যক্তিকে জোরপূর্বক নিসান এক্স‑ট্রেইলে তুলে নিয়ে যায়। এই ব্যক্তির পরিচয় ও পরিবার এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উত্তরা পশ্চিম থানা ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখনো অপহৃত ব্যক্তির সন্ধানে রয়েছেন। তদন্তে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য গ্রেফতারকৃত বাচ্চু মিয়ার ওপর জোরালো জিজ্ঞাসাবাদ চালু রয়েছে।

উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-ইনস্পেক্টর কামরুল ইসলাম জানান, একজন সন্দেহভাজন ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে নতুন সূত্র পাওয়ার আশাবাদী। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রিম্যান্ডের সময়কালে অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে মামলাটি দ্রুত সমাধানের দিকে অগ্রসর হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments