বহু বছর পর, অভিনেত্রী‑গায়িকা শ্রুতি হাসান তার কলেজের পুরনো লেনটি আবার পা রাখেন এবং তা ইনস্টাগ্রাম‑এ ভাগ করে তার ভক্তদের সঙ্গে স্মৃতির এক ভ্রমণ শুরু করেন। এই সফরটি তার কলেজ জীবনের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ ছিল, যেখানে তিনি প্রতিদিনই এই পথে হেঁটে যেতেন।
লেনে হাঁটতে গিয়ে তিনি পুরনো দিনের ছোট‑ছোট মুহূর্তগুলোকে স্মরণ করেন, যেমন ক্লাসের আগে‑পরে দেখা রাস্তার দৃশ্য ও আশেপাশের দোকানগুলো। বিশেষ করে তিনি এক সময়ের প্রিয় স্ন্যাক শপের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তিনি মাটন রোলের স্বাদ উপভোগ করতেন, যা বহু বছর পর আবার তার তৃষ্ণা জাগিয়ে তুলেছে। তিনি মজার ছলে বলেন, অতীতে যদি তিনি বারবার সেখানে গিয়ে রোল খেতেন, তবে হয়তো আর্থিকভাবে কষ্ট পেতেন।
স্মৃতির ভাঁজে তিনি একটি ঘটনার কথা বলেন, যখন তিনি পিঙ্ক রঙের চুলে রঙ করিয়ে প্রধান শিক্ষককের অফিসে ডাকা হয়েছিলেন। এই ঘটনা তার স্বাধীন ও স্বতন্ত্র স্বভাবের প্রমাণ হিসেবে উঠে আসে। একই সময়ে তিনি গানের প্রতি আগ্রহ গড়ে তোলেন, যা পরে তার শিল্পী জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে ওঠে।
শ্রুতি বলেন, লেনটি সময়ের সাথে সামান্যই বদলে গেছে, যদিও তার চারপাশের পরিবেশে কিছু পরিবর্তন হয়েছে। তিনি এই সফরকে “স্মৃতির পথে এক সফর” হিসেবে বর্ণনা করেন এবং অতীতের সঙ্গে একটি নীরব সংযোগ অনুভব করেন। তার এই প্রকাশনা ভক্তদের জন্য একটি আন্তরিক মুহূর্ত তৈরি করেছে, যেখানে তারা তার অতীতের কিছু দিকের সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে।
ইনস্টাগ্রাম‑এ শেয়ার করা ছবিগুলোতে তিনি লেনের পুরনো গাছ, পাথরের বেঞ্চ এবং সেই সময়ের কিছু পরিচিত চিহ্নকে তুলে ধরেছেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, এই লেনটি তার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অংশ ছিল, যেখানে তিনি শৈশবের স্বপ্ন, সঙ্গীতের প্রতি আকর্ষণ এবং নিজের স্বতন্ত্রতা গড়ে তুলেছিলেন।
স্মৃতির এই সফরটি শুধু তার জন্যই নয়, তার ভক্তদের জন্যও একটি নস্টালজিক মুহূর্ত, যেখানে তারা তার অতীতের গল্পে ডুবে যায়। তিনি শেষ পর্যন্ত বলেন, যদিও সময়ের প্রবাহে সবকিছু বদলে যায়, তবে কিছু জায়গা ও স্মৃতি অপরিবর্তিত থাকে, যা মানুষের হৃদয়ে গভীর ছাপ রেখে যায়।
এই পুনরায় দেখা লেনটি তার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে রয়ে গেছে, যা তাকে তার অতীতের সঙ্গে সংযুক্ত করে এবং ভবিষ্যতের পথে নতুন অনুপ্রেরণা যোগায়।



