22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিতারেক রহমানের সঙ্গে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত একত্রে আলোচনা করেন

তারেক রহমানের সঙ্গে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত একত্রে আলোচনা করেন

ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ – বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং রাজনীতিবিদ তারেক রহমান একত্রে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকটি দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ, সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ প্রস্তুতি স্থগিতের প্রভাব এবং দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নের দিকে কেন্দ্রিক ছিল।

সাক্ষাৎকারে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তার প্রথম দফা সফর হিসেবে এই মিটিংকে উল্লেখ করেন এবং দু’দেশের কূটনৈতিক বন্ধনকে শক্তিশালী করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ে।

তারেক রহমান, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের মুখে আছেন, সরকারকে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তার এই বক্তব্যের পর, সরকারী প্রতিনিধিরা নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্বকাপ প্রস্তুতি সংক্রান্ত কাজগুলো সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলোকে সমন্বয় করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, স্থগিতকরণটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ দূর করার পাশাপাশি ক্রীড়া অবকাঠামোর গুণগত মান উন্নত করার সুযোগ দেবে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বেকারত্বের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে দু’দেশের সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে উভয় পক্ষই পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

বৈঠকের শেষে, উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং ক্রীড়া ইভেন্টের সফল বাস্তবায়নের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করার কথা বলেন। নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা এবং প্রযুক্তিগত সমর্থন বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

এই মিটিংটি দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ, বিশ্বকাপ প্রস্তুতি স্থগিত এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সমাধান নিয়ে উভয় পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকের পর, সরকারী সূত্র অনুযায়ী, নিরাপত্তা সংক্রান্ত অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। এছাড়া, বিশ্বকাপ প্রস্তুতির পুনরায় শুরু করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণের কাজ চলছে। উভয় দেশের কূটনৈতিক মিশনও পরস্পরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখবে, যাতে কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান করা যায়।

এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments