20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিদিনাজপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

দিনাজপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

দিনাজপুরে মঙ্গলবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন করেছে এবং এতে সংগঠনটির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সূচনাকারী জিয়াউর রহমানের অবদানকে স্মরণ করা এবং তার আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল কবীর, দিনাজপুর জজ কোর্টের জিপি মোল্লা মো. সাখাওয়াত হোসেন, আজীবন সদস্য গোলাম রসুল রকেট, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মেসবাহ আলম, ম্যানেজার এ এস এম আক্তার শামীম, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এ কে এম রকুনুজ্জামান এবং পাবলিক রিলেশন ও অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার সৈয়দ শফিকুর রহমান (পিন্টু) সহ অন্যান্য কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশের উদ্বোধনী ভাষণে এ কে এম আজাদ জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের মুক্তির পথে নেতৃত্বহীন জাতিকে দিশা দেখিয়ে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের অস্থির সময়ে তিনি পাদপ্রদীপের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে উপস্থিত ছিলেন। এই বক্তব্যের মাধ্যমে সংগঠনটি তার প্রতিষ্ঠাতা নেতার স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরাও ছিলেন। তারা সবাই একত্রে জিয়াউর রহমানের ত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। সমাবেশের সময় সংগঠনের ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনাও করা হয়, যা উপস্থিতদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পায়।

সমাবেশের শেষ পর্যায়ে কেক কাটা হয়, যা জন্মবার্ষিকী উদযাপনের চিহ্ন হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কেক কাটার সময় উপস্থিত সবাই একসাথে জিয়াউর রহমানের স্মরণে হাততালি দিয়ে সম্মান জানায় এবং তার আদর্শকে পুনরায় জীবন্ত করে তোলার সংকল্প প্রকাশ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধারণ জনগণও জিয়াউর রহমানের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অংশগ্রহণ করে। তারা সংগঠনের প্রদত্ত তথ্যপত্র ও স্মারক সামগ্রী গ্রহণ করে এবং ভবিষ্যতে দেশের স্বাধীনতা চেতনা বজায় রাখতে কীভাবে অবদান রাখতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করে।

এই স্মরণসভা জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়। সংগঠনটি ভবিষ্যতে আরও শিক্ষামূলক ও সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই অনুষ্ঠানকে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যের পুনরুজ্জীবন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও সরাসরি কোনো বিরোধী মতামত প্রকাশ পায়নি, তবে কিছু বিশ্লেষক উল্লেখ করেছেন যে জাতীয় নায়কের স্মরণে এমন অনুষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক সংহতি গড়ে তোলার পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের ভূমিকা পুনরায় মূল্যায়নের সুযোগ দেয়।

সামগ্রিকভাবে, দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ জিয়াউর রহমানের ত্যাগকে স্মরণ করার পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসকে পুনরায় আলোতে আনতে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন এই ধরনের স্মরণিক অনুষ্ঠানকে ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাবে এবং দেশের যুব সমাজে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিকল্পনা করছে।

সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করার পর উপস্থিত সবাই একসাথে ছবি তোলেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যান। এই ধরনের স্মরণিক অনুষ্ঠান দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোকে সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments