20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযুক্তরাষ্ট্রের নতুন দূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রথম সাক্ষাৎ তরিক রহমানের সঙ্গে গুলশানে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রথম সাক্ষাৎ তরিক রহমানের সঙ্গে গুলশানে

নতুন নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন গুলশানের বিএনপি সদর দফতরে তরিক রহমানের সঙ্গে আজ বিকেলে প্রথমবারের মতো সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকারটি বিকাল ৩:৫৬ টায় শুরু হয় এবং দু’পক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাৎকারটি দূতাবাসের নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর দু’দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ায় দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন পর্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ১ জানুয়ারি ঢাকায় অবতরণ করেন, যা ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে শপথ গ্রহণের দু’দিন পরের ঘটনা। শপথ গ্রহণের পর তিনি দ্রুতই বাংলাদেশে আসেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের অংশ হিসেবে বিবেচিত। দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানান, তার আগমন দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনার জন্য নতুন দৃষ্টিকোণ নিয়ে আসবে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন তরিক রহমানের সঙ্গে এই বৈঠকে বিএনপি সচিব সাধারণ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটি সদস্য হুমায়ুন কবীর এবং অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের সদস্য মাহাদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বৈঠকে অংশ নেন, যা দু’পক্ষের উচ্চস্তরের সংলাপের ইঙ্গিত দেয়।

বৈঠকের সময় উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশন বাংলাদেশে মানবাধিকার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছে। তরিক রহমানও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন। বৈঠকে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর না করলেও ভবিষ্যতে যৌথ প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই প্রথম সাক্ষাৎকারটি দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পুনরায় উন্মুক্ত দিক নির্দেশ করে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দূত বাংলাদেশে তার মিশন শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংলাপ স্থাপন করছেন, যা পূর্বের কূটনৈতিক রীতির তুলনায় বেশি সক্রিয় পদ্ধতি হিসেবে দেখা যায়। তরিক রহমানের সঙ্গে এই বৈঠকটি বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিএনপি দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল এবং দেশের রাজনৈতিক গতিবিধিতে বড় প্রভাব রাখে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, এই ধরনের উচ্চস্তরের সংলাপ ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগের পথ খুলে দিতে পারে। এছাড়া, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং রাজনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা কীভাবে গড়ে উঠবে, তা এই ধরনের বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে। দু’পক্ষই পরবর্তী সময়ে নিয়মিত সংলাপ বজায় রাখার এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে।

সারসংক্ষেপে, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের তরিক রহমানের সঙ্গে গুলশানে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকটি দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা নির্দেশ করে। উভয় পক্ষের উপস্থিতি এবং আলোচনার বিষয়বস্তু ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি করবে, যা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments