28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি...

যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও পর্যটন ভিসা (বি১/বি২) পেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন শর্ত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে প্রযোজ্য হবে। এই শর্তের অধীনে আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ১৫,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।

শর্তটি যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকাস্থ দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি বার্তায় নিশ্চিত করা হয়েছে। বার্তায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, নতুন বন্ড ব্যবস্থা ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে এবং তা সকল নতুন বি১/বি২ ভিসা আবেদনকারীর উপর প্রযোজ্য হবে।

বন্ডের পরিমাণ আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা ও ভিসার ধরন অনুসারে সর্বোচ্চ ১৫,০০০ ডলারে সীমাবদ্ধ। এই অর্থটি ভিসা অনুমোদনের শর্ত হিসেবে জমা রাখতে হবে, এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তা ফেরতযোগ্য নয়।

যারা ২১ জানুয়ারির আগে ইতিমধ্যে বৈধ বি১/বি২ ভিসা পেয়েছেন, তাদের উপর এই নতুন শর্ত প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, বিদ্যমান ভিসা ধারকরা বন্ড জমা না করেও তাদের ভিসা ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।

দূতাবাসের বার্তায় আবেদনকারীদের সতর্ক করা হয়েছে যে, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করা উচিত নয়। পূর্বে অর্থ প্রদান করলে তা ভিসা গ্যারান্টি দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করা পেমেন্টে প্রতারণার ঝুঁকি থাকে।

বন্ডের অর্থ যদি ভিসা শর্তাবলি সঠিকভাবে পূরণ করা হয়, তবে আবেদন প্রক্রিয়া শেষের দিকে তা ফেরত দেওয়া হবে। তবে, সাক্ষাৎকারের আগে করা কোনো পেমেন্ট ফেরতযোগ্য নয় এবং তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসা নিশ্চিত করে না।

এই পদক্ষেপটি যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক ভিসা নীতি কঠোর করার ধারার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ইউএস বিভিন্ন দেশের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক গ্যারান্টি আরোপ করেছে।

পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র কিছু নির্দিষ্ট দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ আবেদনকারীদের জন্য অনুরূপ বন্ড ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে, যা আর্থিক দায়িত্ব বাড়িয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে লক্ষ্য ছিল। বাংলাদেশে এই নীতি প্রয়োগের ফলে ভিসা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশি ব্যবসায়িক ও পর্যটন সেক্টরের ওপর প্রাথমিক প্রভাব দেখা যেতে পারে। বন্ডের উচ্চ সীমা ছোট ব্যবসা ও পর্যটন ভ্রমণকারীদের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ভিসা প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন যে, বন্ড ব্যবস্থা আবেদনকারীদের আর্থিক প্রস্তুতি যাচাইয়ের পাশাপাশি ভিসা জালিয়াতি কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে, তারা সতর্ক করছেন যে, যথাযথ তথ্যপ্রকাশ ও আবেদনকারীদের সচেতনতা না থাকলে এই শর্তের ফলে অনধিকারিক মধ্যস্থতাকারী সেবা বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবেদনকারীদের জন্য প্রধান পরামর্শ হল, দূতাবাসের অফিসিয়াল চ্যানেল থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করা এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের সাইটে অগ্রিম পেমেন্ট না করা। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় বন্ড জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

বন্ড ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার আগে আবেদনকারীরা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারেন। ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের পর নতুন আবেদন শুরু হলে, বন্ডের শর্তাবলি মেনে চলা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা ভিসা অনুমোদনের সম্ভাবনা বাড়াবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক
AI-powered আন্তর্জাতিক content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments