শনিবার সন্ধ্যায় প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ মুখোমুখিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দুই গোলের পার্থক্যে ম্যানচেস্টার সিটিকে পরাজিত করে ২-০ স্কোর নিশ্চিত করেছে। ম্যাচের শেষে স্যার জিম র্যাটক্লিফ উপস্থিত ছিলেন, যাকে দুই বছরের সংখ্যালঘু মালিকানার সময়ের সর্বোত্তম জয় হিসেবে প্রশংসা করা হয়।
ইউনাইটেডের কোচ মাইকেল ক্যারিকের তত্ত্বাবধানে দলটি ঐতিহ্যবাহী, আক্রমণাত্মক শৈলীতে খেলেছে; উচ্চ চাপ ও দৃঢ়তা দিয়ে প্রতিপক্ষকে নীরব করে তুলেছে। এই ধরনের পারফরম্যান্স পুরনো দিনের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের উল্লাসের স্মৃতি জাগিয়ে তুলেছে, যদিও দীর্ঘমেয়াদে এই রকম উচ্চ-লাইন কৌশল বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।
চেলসির ক্ষেত্রে, নিক ওলটেমেডের শেষ মুহূর্তের প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি, ফলে দলটি প্রত্যাশিত ফল পায়নি। এছাড়া চেলসির মালিকদের সামনে কঠিন ভক্তদের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, যা ভবিষ্যৎ গেমে প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যাসটন ভিলার পরিস্থিতি তীব্র। ২৭ ডিসেম্বর থেকে ছয়টি ম্যাচের পর দলটি ফিনেরবাহচে এবং নিউক্যাসলকে পরবর্তী সপ্তাহে মুখোমুখি হবে। সীমিত দলে খেলোয়াড়দের ব্যবহার বাড়িয়ে চলা ক্লাবের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভিলার মূল মিডফিল্ডার জন ম্যাকগিন প্রথমার্ধে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় মাঠ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়, যা দলের আক্রমণগত বিকল্পকে সংকুচিত করেছে এবং আরসেনালের সঙ্গে পয়েন্টের ফাঁক কমাতে বাধা দিয়েছে।
ডোনিয়েল মালেন রোমায় স্থানান্তরিত হয়ে রবিবারই ডেবিউতে গোল করে নতুন দলকে উজ্জীবিত করেছে। তার এই সফলতা ভিলার আক্রমণগত বিকল্পকে আরও সংকীর্ণ করে তুলেছে।
ট্যামি এব্রাহাম, যিনি ২০১৯ সালে ভিলাকে প্রিমিয়ার লিগে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, তার প্রত্যাবর্তন এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর রবার্তো ওলাবের আর্থিক সীমাবদ্ধতা নতুন খেলোয়াড়ের স্বাক্ষরে বাধা সৃষ্টি করছে।
এভারটনের টিম ট্যামি এব্রাহামের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা ভিলার জন্য অতিরিক্ত চাপের কারণ হতে পারে। ক্লাবের ব্যবস্থাপনা এখন বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করতে বাধ্য, যাতে দলটি মৌসুমের শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক থাকে।
ভিলার শিরোপা সংগ্রামের পথে ক্লান্তি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে; এভারটনের থিয়ের্নো ব্যারির গোলই এই অবস্থা তুলে ধরেছে। ক্লাবের খেলোয়াড়দের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এখনো পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন।
সারসংক্ষেপে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জয় র্যাটক্লিফের মালিকানার অন্যতম শীর্ষ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত, আর ভিলার জন্য খেলোয়াড়ের আঘাত, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং ক্লান্তি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহে ফিনেরবাহচে ও নিউক্যাসলের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে ভিলা কীভাবে এই সমস্যাগুলো মোকাবেলা করবে তা নজরে থাকবে।



