19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম ও নাসিরুদ্দিন পাত্রি শো-কার্স নোটিশের উত্তর...

ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম ও নাসিরুদ্দিন পাত্রি শো-কার্স নোটিশের উত্তর না দিয়ে সময়সীমা মিস করেছেন

ঢাকার রিটার্নিং অফিসার নৌকায় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) কনভিনার নাহিদ ইসলাম এবং পার্টির চিফ কোঅর্ডিনেটর নাসিরুদ্দিন পাত্রি শো-কার্স নোটিশের লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার শেষ সময় ১১ টা পর্যন্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। উভয় নেতাকে আজ সকাল ১১ টার মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছিল, তবে নির্ধারিত সময়ে কোনো উপস্থিতি বা লিখিত উত্তর পাওয়া যায়নি।

শো-কার্স নোটিশটি নির্বাচনী কোড লঙ্ঘনের সন্দেহে জারি করা হয়েছিল, যা ১৩তম সংসদীয় নির্বাচনের পূর্বে প্রযোজ্য। নোটিশে রিটার্নিং অফিসার এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শারফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরযুক্ত চিঠি সংযুক্ত ছিল, এবং অতিরিক্তভাবে ঢাকা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আজমুল হকও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নোটিশের শর্ত অনুসারে, এনসিপি নেতাদের শহরের সব প্রচারমূলক বিলবোর্ড সকাল ৯:৩০ টার মধ্যে সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। এছাড়া, তারা কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া উচিত তার ব্যাখ্যা ১১ টার মধ্যে জমা দিতে হবে, না হলে নির্বাচনী কোডের অধীনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

রিটার্নিং অফিসারের কর্মীরা সকাল থেকে অপেক্ষা করছিলেন, তবে কোনো প্রতিনিধির উপস্থিতি বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সহকারী রিটার্নিং অফিসাররাও একই কথা নিশ্চিত করেছেন, তারা নাহিদ ও পাত্রি থেকে কোনো লিখিত ব্যাখ্যা পায়নি।

অফিসের তথ্য কর্মকর্তা তহজিব হাসান রিদম জানান, “এ পর্যন্ত আমরা তাদের কাছ থেকে কোনো উত্তর পাইনি।” রিটার্নিং অফিসার নিজে এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করবেন না, তবে তার পক্ষ থেকে তথ্য কর্মকর্তা তার প্রতিনিধিত্বে কথা বলবেন।

এনসিপি পক্ষ থেকে এই অভিযোগের প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। পার্টির ইলেকশন মিডিয়া সাবকমিটি প্রধান মাহবুব আলমের মতে, শো-কার্স নোটিশটি বিদ্যমান নিয়মের বিরোধী এবং অবৈধ। পার্টি দাবি করে যে, নোটিশ জারির প্রক্রিয়ায় কোনো যথাযথ নোটিশ বা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যাখ্যা না আসে, তবে রিটার্নিং অফিসার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন, যার মধ্যে প্রচার সামগ্রী জব্দ, জরিমানা বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে বাধা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এই পরিস্থিতি নির্বাচনী কমিশনের উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে, যেখানে শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই ঘটনা ১৩তম সংসদীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন সময়ে ঘটছে, যখন নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে কোড লঙ্ঘনের জন্য সতর্কতা ও নোটিশ জারি করছে। অন্যান্য দলও অনুরূপ নোটিশ পেয়েছে, যা নির্বাচনী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়।

নাহিদ ইসলাম ও নাসিরুদ্দিন পাত্রির পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রকাশ্য ব্যাখ্যা না পাওয়ায়, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা পার্টির প্রচার কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন। বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলতে না পারলে নির্বাচনী কোডের অধীনে শাস্তি আরোপিত হতে পারে, যা এনসিপির নির্বাচনী কৌশলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

অবশ্যই, রিটার্নিং অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট কমিশনারদের সিদ্ধান্তের পরবর্তী ধাপ কী হবে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে স্পষ্ট যে, শো-কার্স নোটিশের উত্তর না দেওয়া নির্বাচনী আইন অনুসারে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই বিষয়টি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সতর্কতা স্বরূপ কাজ করবে, যা নির্বাচনী কোডের কঠোর প্রয়োগকে পুনরায় জোরদার করবে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ লঙ্ঘন রোধে প্রভাব ফেলবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments