20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামিকি আর্থার রংপুর রাইডার্সের কোচিং দর্শন ও বাংলাদেশি ক্রিকেটের পরিবর্তন

মিকি আর্থার রংপুর রাইডার্সের কোচিং দর্শন ও বাংলাদেশি ক্রিকেটের পরিবর্তন

বিপিএল (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ) এর রংপুর রাইডার্সের বর্তমান কোচ মিকি আর্থার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বিশিষ্ট প্রশিক্ষক, তার বিস্তৃত ক্যারিয়ার ও বাংলাদেশি ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিশদভাবে জানালেন। প্রায় পঁচিশ বছরের কোচিং অভিজ্ঞতা নিয়ে আর্থার চারটি দেশের জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেট, ইংল্যান্ডের কাউন্টি লিগ এবং বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে কাজ করার সুবাদে তার পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যময়।

বিপিএল-এ আর্থার প্রথমবারের মতো রংপুর রাইডার্সের দায়িত্বে আসেন এবং এখন দ্বিতীয় মৌসুমে রয়েছেন। তিনি রাইডার্সকে “দারুণ ফ্র্যাঞ্চাইজি” বলে প্রশংসা করে উল্লেখ করেন যে, দলের মালিকপক্ষের সমর্থন ও সংগঠন তাকে পরিবারের অংশের মতো অনুভব করায়। এই অনুভূতি তাকে পুরোপুরি উপভোগ করতে সাহায্য করে।

২০১৫ সালে তিনি ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ হিসেবে কাজ করলেও, রাইডার্সের সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনো দুই মৌসুমের বেশি সময় ধরে চলমান। আর্থার স্থানীয় প্রতিভার উত্থানকে প্রধান পরিবর্তন হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজকের খেলোয়াড়রা পূর্বের তুলনায় বেশি দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক, ফলে লিগের মানোন্নয়ন ঘটেছে।

কোচিং দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি রাইডার্সকে “একটি সত্যিকারের ব্র্যান্ড” হিসেবে বর্ণনা করেন, যা দেশের বাইরে থেকেও আকর্ষণীয়। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পরিচয় স্পষ্ট না থাকলেও, রাইডার্সের ব্র্যান্ড শক্তি এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও স্টাফদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই ব্র্যান্ডের অংশ হতে এবং বারবার ফিরে আসতে খেলোয়াড়দের ইচ্ছা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিপিএল নিয়ে সমালোচনা ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে, আর্থার মালিকানার ধারাবাহিকতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, রাইডার্স বহু বছর ধরে একই মালিকানার অধীনে রয়েছে, যা দলকে স্থিতিশীলতা ও ব্র্যান্ড গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। অন্যদিকে, বেশিরভাগ দলেই মালিকানা ঘন ঘন পরিবর্তন হয়, যা দীর্ঘমেয়াদী ব্র্যান্ড গঠনকে বাধাগ্রস্ত করে।

বহিরাগত ক্রিকেটার ও স্টাফদের আগমনের ক্ষেত্রে তিনি আরও জোর দেন যে, তাদের উপস্থিতি রাইডার্সের ব্র্যান্ডকে শক্তিশালী করে। বিদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে স্থানীয় প্রতিভার মেলবন্ধন দলকে আন্তর্জাতিক মানের দিকে নিয়ে যায় এবং ভক্তদের আকর্ষণ বাড়ায়।

মিকি আর্থার তার কোচিং দর্শনকে “খেলোয়াড়ের সামগ্রিক উন্নয়ন” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন। তিনি বলছেন, শুধুমাত্র ট্যাকটিক্যাল দিক নয়, মানসিক প্রস্তুতি ও শারীরিক ফিটনেসের সমন্বয়ই দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের চাবিকাঠি। রাইডার্সের তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য তিনি ব্যক্তিগত দিকনির্দেশনা ও মেন্টরশিপ প্রদান করছেন, যাতে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে পারে।

রাইডার্সের পরবর্তী ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, দলটি শীঘ্রই নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে এবং আর্থার তার কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী দলকে প্রস্তুত করছেন। তিনি দলকে বলছেন, ধারাবাহিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিটি গেমে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করা উচিত।

সারসংক্ষেপে, মিকি আর্থার রংপুর রাইডার্সের সঙ্গে তার দ্বিতীয় মৌসুমে কোচিং দায়িত্বে আছেন, যেখানে তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজির ব্র্যান্ড মান, মালিকানার স্থায়িত্ব এবং স্থানীয় প্রতিভার বিকাশকে মূল অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি রাইডার্সকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments