19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসিইসি এআই‑সৃষ্ট মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বললেন, মন্ত্রণালয় অভিযোগ গ্রহণে প্রস্তুত

সিইসি এআই‑সৃষ্ট মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বললেন, মন্ত্রণালয় অভিযোগ গ্রহণে প্রস্তুত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন ১২ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে এআই ব্যবহার করে তৈরি মিথ্যা তথ্যের বিস্তার রোধের দাবি জানিয়ে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক কন্টেন্টের মাধ্যমে ভুল তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিইসি উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে এআই‑সৃষ্ট ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি আইনগত কাঠামো ব্যবহার করে ভবিষ্যতে দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগে জানানো হয় যে, এআই‑সৃষ্ট মিথ্যা তথ্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কাছে অর্পিত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের মতে, নাগরিকদের কাছ থেকে অভিযোগ সংগ্রহের জন্য চারটি ই‑মেইল ঠিকানা এবং একটি হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। “আমরা নাগরিকদের কাছ থেকে কমপ্লেন (অভিযোগ) নেওয়ার জন্য চারটি ই-মেইল ও একটি হটলাইন নম্বর চালু করেছি। সেখান থেকে যে রিপোর্টগুলো পাচ্ছি, সেগুলো প্রসেস (প্রক্রিয়া) করছি,” তিনি বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত, আর আনুষ্ঠানিক প্রচার ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। এখনো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়নি এবং নির্বাচনের আগে কোনো প্রতীকে ভোট চাওয়ার অনুমতি নেই। তবুও ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রচারণা চলছে।

বিপক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, কিছু রাজনৈতিক দল এআই‑সৃষ্ট কন্টেন্টকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ন্যায়বিচারকে ক্ষুণ্ন করার হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং মন্ত্রণালয়কে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছে। তারা দাবি করে, ভুয়া ভিডিও ও ছবি ভোটারদের মতামত গঠনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তাই যথাযথ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক নির্বাচনে এআই‑চালিত বট ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই উদাহরণগুলো দেশীয় নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য সতর্কতা স্বরূপ কাজ করছে এবং তথ্য প্রযুক্তি নীতি প্রণয়নে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এখনো অভিযোগের পরিমাণ ও প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভবিষ্যতে এআই‑সৃষ্ট মিথ্যা তথ্যের দ্রুত সনাক্তকরণ ও অপসারণের জন্য প্রযুক্তিগত টুলসের ব্যবহার বাড়ানো হতে পারে।

নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার রক্ষার জন্য সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন, বিশেষ করে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করা এবং জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপগুলো সফল হলে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ভোট গ্রহণে ভোটারদের সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments