ইন্দোরে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ওডিআইতে ৩৮ বছর বয়সী ভিরাট কোহলি ৯১ রান সংগ্রহ করে ৫৪তম সেঞ্চুরি রেকর্ড করেন। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া চলাকালে তিনি তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০৮ রান (১০টি চতুর্থি, ৩টি ছয়) করে দলকে ৪৬ রানে হারের কাছাকাছি নিয়ে গেলেন।
কোহলির এই সেঞ্চুরি তাকে ওডিআইতে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির ধারক সাচিন তেন্ডুলকারের ৪৯ সেঞ্চুরি অতিক্রম করে ৫৪তম স্থানে নিয়ে গেল। আন্তর্জাতিক ওডিআইতে তার মোট সেঞ্চুরি সংখ্যা এখন ৮৫, যেখানে তেন্ডুলকারের ১০০ সেঞ্চুরি ছাড়া আর কেউ এই সীমা অতিক্রম করেনি।
কোহলির সেঞ্চুরি গড়ে ৩৫টি ভিন্ন ভেন্যুতে হয়েছে, যা তেন্ডুলকারের ৩৪টি ভেন্যুর রেকর্ডকে অতিক্রম করে। রোহিত শর্মার ২৬টি, রিকি পন্টিং, এবি ডি ভিলিয়ার্স ও হাশিম আমলার প্রত্যেকের ২১টি সেঞ্চুরি রয়েছে।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে কোহলির সপ্তম ওডিআই সেঞ্চুরি এই ম্যাচে রেকর্ড হয়, যা তাকে এককভাবে দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি ধারক করে তুলেছে। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কোহলির মোট ওডিআই সেঞ্চুরি সংখ্যা এখন ১০, যা তেন্ডুলকার, জ্যাক ক্যালিস ও জো রুটের ৯টি সেঞ্চুরির চেয়ে বেশি।
ভারতে কোহলির ওডিআই সেঞ্চুরি সংখ্যা ২৭, যেখানে তেন্ডুলকারের ২০টি রয়েছে। সামগ্রিকভাবে ওডিআইতে কোহলির সেঞ্চুরি ২৯টি, যা তেন্ডুলকার ও রোহিতের ১৭টি সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় স্থানে রাখে; ক্রিস গেইলের ১২টি সেঞ্চুরি তৃতীয় স্থানে।
গত আটটি ৫০‑ওভার ইনিংসে কোহলি চারটি সেঞ্চুরি যোগ করেছেন, যার মধ্যে তিনটি আন্তর্জাতিক ওডিআইতে এবং একটি দেশীয় টুর্নামেন্টে। শেষ নয়টি ইনিংসে তিনি আটবার পঞ্চাশের বেশি স্কোর করেছেন, যা তার ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।
ম্যাচের শেষ পর্যায়ে ভারত ৩৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়ে ৪৬ রানে হারে। কোহলির ১০৮ রান সত্ত্বেও দলটি শেষ পর্যন্ত ২৯২ রানে থেমে যায়। তার আউট হওয়া সময়ে তিনি তৃতীয় ব্যাটসম্যান ছিলেন, এবং তার পারফরম্যান্সে ১০টি চতুর্থি ও ৩টি ছয় অন্তর্ভুক্ত।
কোহলির এই সাফল্য তার ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা এবং রেকর্ড ভাঙার ক্ষমতা পুনরায় প্রমাণ করে। পরবর্তী ম্যাচে ভারত নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে একই সিরিজের চতুর্থ ওডিআই খেলবে, যেখানে কোহলির শীর্ষ ফর্ম বজায় রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।



