শ্রেয়াঙ্কা পাটিল পুরোপুরি সুস্থ অবস্থায় ভারতের মহিলা টি২০ দলকে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই নির্বাচন ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য করা হয়েছে।
পাটিলের শেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ২০২৪ টি২০ বিশ্বকাপের সময় ছিল, যেখানে তিনি দলের সঙ্গে খেলেছিলেন। তার পরের সময়কালে তিনি আঘাতজনিত সমস্যার কারণে মাঠে ফিরে আসতে পারেননি। এখন পুনরুদ্ধার সম্পন্ন করে তিনি আবার দেশের হয়ে খেলতে প্রস্তুত।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ঘোষণা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই দেশের মহিলা দল একাধিক টি২০ ম্যাচের মুখোমুখি হবে। এই সিরিজটি শীতকালীন আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং আসন্ন বড় টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থা ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাটিলের সম্পূর্ণ ফিটনেস নিশ্চিত হওয়ায় তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা দলের স্পিন বিকল্পকে শক্তিশালী করবে।
শ্রেয়াঙ্কা পাটিল বামহাতের অর্দহো স্পিনার, যার গতি ও দিকনির্দেশনা ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। ২০২৪ বিশ্বকাপে তিনি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট গ্রহণের মাধ্যমে দলের জয়সাধনে ভূমিকা রেখেছিলেন। তার ফিরে আসা স্পিন বিভাগে অভিজ্ঞতা ও বৈচিত্র্য যোগ করবে।
পাটিলের পূর্বের পারফরম্যান্সে তিনি মাঝারি গতি ও সঠিক লাইন বজায় রেখে ব্যাটসম্যানদের আউট করার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন। যদিও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান এখানে উল্লেখ করা হয়নি, তার অবদান দলকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সাফল্য এনে দিয়েছে।
দল গঠনেও বেশ কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড় পুনরায় নির্বাচিত হয়েছে, যা দলকে সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীলতা প্রদান করবে। নতুন মুখের সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয় কোচিং স্টাফের মূল কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কোচিং স্টাফ স্পিনারদের ভূমিকা বাড়িয়ে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণ সেশন চালু করেছে। পাটিলের ফিটনেস ও স্পিন দক্ষতা এই পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, ফলে তিনি দলের কৌশলগত বিকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবেন।
সিরিজের সূচি অনুযায়ী প্রথম ম্যাচটি ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রধান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, এরপর বিভিন্ন শহরে ধারাবাহিক ম্যাচ হবে। এই পর্যায়ে দলকে স্থানীয় পরিস্থিতি ও পিচের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।
শ্রেয়াঙ্কা পাটিলের ফিরে আসা দলের স্পিন ব্যালেন্সকে শক্তিশালী করবে এবং অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বাড়াবে। দলটি এই সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে আগামী বড় টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে চায়।



