27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজামায়াতের নায়েব-এমিরা ডি.সি ও এস.পি-র পক্ষপাতের অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন

জামায়াতের নায়েব-এমিরা ডি.সি ও এস.পি-র পক্ষপাতের অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন

জামায়াত‑ই‑সলামি নায়েব‑এমির সাইদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় গেস্ট হাউস জামুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ডিপি ও এস.পি-দের ক্ষেত্রভিত্তিক কাজের ওপর পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ইলেকশন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে জামায়াতের দলকে শফিকুর রহমান, পার্টির আমীর, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন; সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পোরোয়ার এবং সহায়ক সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।

মিটিংয়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাহের উল্লেখ করেন, দলটি কিছু ডিপি ও এস.পি-দের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং ভবিষ্যতে তাদের কাজের ওপর নজর রাখবে। তিনি বলেন, এই ব্যক্তিদের সম্পর্কে তারা ইলেকশন কমিশনকে মৌখিকভাবে জানিয়েছে, তবে কোনো লিখিত নথি জমা দেয়নি।

তাহেরের মতে, যদি ইলেকশন কমিশন যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়, তবে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি হস্তক্ষেপ করা উচিত, কারণ তিনি বিশ্বাস করেন উপদেষ্টা নিজেই একটি স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইচ্ছুক।

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, উপদেষ্টার আশেপাশের কিছু উপদেষ্টা তাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন এবং তা নিয়ে তিনি উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

তাহের আরও জানান, সাম্প্রতিক দুই‑তিন সপ্তাহে সরকার একটি নির্দিষ্ট দলের প্রধানকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রোটোকল প্রদান করেছে, যা নির্বাচন ক্ষেত্রের সমতা নীতির লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলটি কোনো ব্যক্তিকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানায়নি, তবে জামায়াতের আমীরকেও সমানভাবে এই সুবিধা প্রদান না করা হলে ইলেকশন কমিশনকে পক্ষপাতের দায়ে টানা হবে এবং সমান প্রতিযোগিতার মঞ্চ নষ্ট হবে, এটাই তাদের দাবি।

তাহের ইলেকশন কমিশনের নামিনেশন পত্রের পর্যালোচনার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে কিছু অসামঞ্জস্য দেখা যাচ্ছে, তাই তিনি উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

এই অভিযোগের পেছনে জামায়াতের লক্ষ্য হল নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল রাজনৈতিক দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, যাতে কোনো দলকে অতিরিক্ত সুবিধা বা বৈষম্যের শিকার হতে না হয়।

উল্লেখযোগ্য যে, জামায়াতের এই পদক্ষেপে তারা কোনো লিখিত অভিযোগ পত্র ইলেকশন কমিশনে জমা দেয়নি, বরং সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান চেয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা ইউনুসের সঙ্গে এই মিটিংটি রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে রাজনৈতিক সমতা রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং ভবিষ্যতে ইলেকশন কমিশনের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করে রাজনৈতিক পরিবেশের স্বচ্ছতা নির্ধারিত হবে।

এই আলোচনার পরবর্তী ধাপ হিসেবে জামায়াতের দল ইলেকশন কমিশনের কাছ থেকে স্পষ্ট পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ন্যায়সঙ্গততা নিশ্চিত করার জন্য সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments