28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাসর্বস্তর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ

সর্বস্তর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও মাদরাসা জুড়ে একটি ব্যাপক প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি রবিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর সভায় গৃহীত হয়। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসি একত্রিত হয়ে বিষয়টি আলোচনা করে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ড. আলী রিয়াজ, যিনি গণভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য রাখেন। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই ভোটের মূল লক্ষ্য। তার মতে, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিকল্প নেই।

ড. রিয়াজের এই মন্তব্যের পাশাপাশি সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, ইউজিসি চেয়ারম্যান এসএমএ ফয়েজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইএসএম আমানুল্লাহ এবং ইউজিসি সদস্য প্রফেসর মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভোটের আগে তথ্য প্রদান, আলোচনা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে। এ ধরনের প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভোটের গুরুত্ব ও ফলাফল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া লক্ষ্য।

প্রচারণা চালানোর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন উপায়ে সমর্থন প্রদান করা হবে, যেমন তথ্যবহুল পোস্টার, সেমিনার ও আলোচনাসভা আয়োজন। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত করা বাকি।

এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল ভোটের আগে নাগরিকদের মধ্যে সমন্বিত ধারণা গড়ে তোলা, যাতে গণভোটের ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক হয়। শিক্ষার্থীদের ভোটের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা এই প্রচারের প্রধান দিক।

সভায় উল্লেখ করা হয় যে, প্রচার কার্যক্রমের সময় শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ বজায় রাখা হবে এবং কোনো ধরণের জবরদস্তি করা হবে না। একই সঙ্গে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোটের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদরাসা সকলেই এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ে তথ্য সেশন এবং প্রশ্নোত্তর সভা অনুষ্ঠিত হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা সরাসরি প্রশ্ন করতে পারে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভোটের বিষয়বস্তু, প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবে। ফলে ভোটের সময় তারা অবগত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে।

প্রশাসনিক দিক থেকে, ইউজিসি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগগুলো এই প্রচার কার্যক্রমের তদারকি ও সমন্বয় করবে। তারা নিশ্চিত করবে যে, সব তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের কোনো বিভ্রান্তি না হয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ব্যবহারিক টিপস: ভোটের আগে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন, তবে সরকারী ও শিক্ষামন্ত্রীয় প্রকাশিত নথি ও নির্দেশিকা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। কোনো সন্দেহজনক তথ্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করুন।

আপনার মতামত কী? আপনি কি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ভোটের প্রচার করা নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে নাকি অন্য কোনো পদ্ধতি বেশি কার্যকর হতে পারে?

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments