20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাআইসিসি হস্তক্ষেপে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত

আইসিসি হস্তক্ষেপে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চলাকালীন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও স্টাফদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। মোট ৪২ জন ক্রিকেটার ও কর্মীর আবেদন দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইসিসি সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে।

আইসিসি এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভিসা অনুমোদনের সময়সীমা কমিয়ে টুর্নামেন্টের আগে কোনো লজিস্টিক বাধা না থাকে তা নিশ্চিত করতে চায়। ভিসা সমন্বয় কাজের অধীনে বিভিন্ন দেশের দল থেকে আবেদনগুলো তদারকি করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র দ্রুত যাচাই করা হচ্ছে।

প্রক্রিয়ার ত্বরান্বিত করার জন্য আইসিসি ভারতীয় হাইকমিশনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। বিশ্বজুড়ে অবস্থিত এই দপ্তরগুলোকে তথ্য শেয়ার করে বাকি আবেদনগুলো সময়মতো নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে। এই সমন্বয় কাজের ফলে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত অপেক্ষা সময় কমে যাচ্ছে।

ইংল্যান্ড দলের তিনজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারের ভিসা ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। স্পিনার আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ এবং পেসার সাকিব মাহমুদের আবেদন দ্রুত স্বীকৃতি পেয়েছে এবং তারা এখন ভ্রমণের প্রস্তুতি নিতে পারবে।

নেদারল্যান্ডস দলের কিছু খেলোয়াড়েরও ভিসা অনুমোদন পেয়েছে। এই দলগুলোতে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সদস্যদের উপস্থিতি টুর্নামেন্টে তাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কানাডা দলের স্টাফ সদস্য শাহ সালিম জাফরকেও ভিসা প্রদান করা হয়েছে। তার উপস্থিতি দলের কৌশলগত পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ সেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বাংলাদেশ ও কানাডা দলের পাকিস্তানি নাগরিক বা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়া চলমান। এই দলগুলোর জন্য আবেদনগুলো দ্রুত যাচাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ভিসা সাক্ষাৎকারের তারিখ আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে নির্ধারিত হয়েছে। এই সময়সূচি অনুসারে আবেদনকারীরা দ্রুত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবে এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে।

আইসিসি ভিসা ইস্যুর শেষ সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে। এই তারিখের মধ্যে সব আবেদন সম্পন্ন হলে দলগুলো টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে কোনো বাধা পাবেন না।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত, তাই আইসিসি আশা করছে যে সব দল ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করে লজিস্টিক দিক থেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে। এই সময়সীমা মেনে চলা টুর্নামেন্টের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করবে।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা আবেদন সাধারণত অতিরিক্ত যাচাইয়ের মুখে পড়ে এবং অনুমোদনে বেশি সময় লাগে। আইসিসির এই সক্রিয় হস্তক্ষেপকে বিশ্বকাপের আগে সম্ভাব্য জটিলতা এড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সর্বশেষে, আইসিসি সকল সংশ্লিষ্ট দলের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুততর করার মাধ্যমে টুর্নামেন্টের সফলতা নিশ্চিত করতে চায় এবং খেলোয়াড়দের মাঠে ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments