20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিগৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক ৬৫ দিন অনুপস্থিতি নিয়ে সাময়িক বরখাস্ত

গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক ৬৫ দিন অনুপস্থিতি নিয়ে সাময়িক বরখাস্ত

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলামকে অনুমতি ছাড়া ৬৫ দিন ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, যা ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়।

মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলামকে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনের বহিঃবাংলাদেশ ছুটি অনুমোদন করা হয়েছিল। তবে তিনি মূল ছুটির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে, ৫ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত অতিরিক্ত ছুটির আবেদন করেন, যা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পায়।

অনুমোদিত ছুটির শেষ তারিখ ১৯ অক্টোবর হওয়া সত্ত্বেও, তিনি নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। ২০ অক্টোবর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে ৬৫ দিন পর্যন্ত কোনো অনুমোদন বা ব্যাখ্যা ছাড়াই অনুপস্থিত ছিলেন, যা মন্ত্রণালয়ের নজরে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের গুরুতর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুসারে এই ধরনের অননুমোদিত অনুপস্থিতি ‘পলায়ন’ হিসেবে গণ্য হয়। বিধিমালার ধারায় মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি সেবার ধারাবাহিকতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপ অপরিহার্য। অনুপস্থিতির সময়কালে কোনো কাজের অগ্রগতি বা দায়িত্বের হস্তান্তর না হওয়ায় কর্মক্ষেত্রের কার্যকারিতা প্রভাবিত হয়েছে, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বরখাস্তের পরেও তিনি শাসনকালের নির্ধারিত ‘খোরপোষ ভাতা’ পাবেন। এই ভাতা সরকারি কর্মচারীর অধিকার অনুযায়ী প্রদান করা হবে, যদিও তিনি বর্তমানে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষার গুরুত্ব পুনরায় জোরদার হয়েছে। অননুমোদিত অনুপস্থিতি বা পলায়নমূলক আচরণে কঠোর শাস্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা রোধের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই ধরনের শৃঙ্খলাবদ্ধ পদক্ষেপের ফলে অন্যান্য সরকারি সংস্থায়ও অনুপস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নীতি শক্তিশালী হতে পারে। শাসনকালের নীতি অনুসারে, কর্মচারীর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা হলে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়াবে।

অধিকন্তু, শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালার প্রয়োগে এই ঘটনা একটি উদাহরণস্বরূপ রেকর্ড হয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে অনুরূপ অভিযোগ বা অনুপস্থিতি ঘটলে, সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো একই নীতিমালা অনুসরণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করা যায়।

মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নেওয়া এই সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের পর, তিনি নিজে থেকে কোনো আপিল বা ব্যাখ্যা প্রদান করেননি। তবে শাসনকালের নীতি অনুযায়ী, তিনি যদি আপিল করতে চান, তবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় আবেদনপত্র দাখিল করতে পারবেন।

সামগ্রিকভাবে, গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপটি সরকারি কর্মচারীর শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে। অনুপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতি অনুসরণ করে, মন্ত্রণালয় জনসেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে চায় এবং ভবিষ্যতে কোনো অনধিকারিক অনুপস্থিতি ঘটলে তা দ্রুত শাস্তিমূলকভাবে মোকাবিলা করা হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments