28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিআসিফ নজরুলের মন্তব্য: অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাপক সংস্কার ঘটেছে এবং স্বীকৃতি পেয়েছে

আসিফ নজরুলের মন্তব্য: অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাপক সংস্কার ঘটেছে এবং স্বীকৃতি পেয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সাম্প্রতিক নীতি সংলাপে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল উল্লেখ করেন, দেশের ইতিহাসে এত স্বল্প সময়ে এত বড় পরিমাণে সংস্কার দেখা যায়নি। সংলাপটি ঢাকা শহরের সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়, যার আয়োজক সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

এই অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংলাপের মূল বিষয় ছিল ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’।

আসিফ নজরুলের মতে, বর্তমান সরকার যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করেছে, তা দেশের ইতিহাসে অল্প সময়ে এত বড় পরিমাণে ঘটেনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই পরিবর্তনগুলোকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।

তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা দিচ্ছে, যেখানে সংস্কারগুলোকে প্রশ্নের মুখে আনা হচ্ছে। এই প্রশ্নের মধ্যে তিনি তিনটি নেতিবাচক দিক চিহ্নিত করেন, যা বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত হতে পারে।

কিছু লোক দাবি করেন যে কোনো সংস্কার হয়নি, তবে তিনি বলেন, আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে যে পরিবর্তনগুলো ঘটেছে, তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। এই ক্ষেত্রগুলোতে মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে এবং অর্থপ্রবাহের পরিমাণ বেড়েছে।

বিশেষ করে রেমিট্যান্সের পরিমাণ পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব ফলাফল ছাড়া এই সময়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন করা কঠিন ছিল।

এজন্য তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংস্কার না হওয়ার দাবি বাস্তবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যথেষ্ট সংস্কার হয়েছে, যদিও সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে আরও কিছু করা যেতে পারত।

সংস্কারগুলোর তুচ্ছতা নিয়ে করা মন্তব্যকে তিনি অগ্রাহ্য করেন, এবং পুলিশ কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। যদিও তিনি এই বিষয়ে কিছু হতাশা প্রকাশ করেন, তবু তিনি স্বীকার করেন যে এই পদক্ষেপগুলো তুচ্ছ নয়।

সরকারের পরামর্শের অভাবের অভিযোগকে তিনি হাস্যকর বলে খণ্ডন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালে সংবিধান রচনার সময়ও এত বিস্তৃত পরামর্শ নেওয়া হয়নি, তবু তা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তাদের দশটি প্রস্তাবের মধ্যে অন্তত ছয়টি বাস্তবায়িত হয়েছে। এই বিষয়টি তিনি স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণের গুরুত্বের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করেন।

শেষে তিনি সকল অংশগ্রহণকারীকে সত্যিকারের মতামত প্রকাশের আহ্বান জানান, এবং ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত ও ব্যাপক সংস্কার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এই ধরনের আলোচনা দেশের শাসনব্যবস্থা ও বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments