22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিট্রাম্পের গাজা শান্তি পর্ষদে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পর্ষদে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা অঞ্চলের যুদ্ধ‑পরবর্তী পুনর্গঠন তদারকি করার জন্য গঠিত ‘গাজা শান্তি পর্ষদ’‑এর চেয়ারম্যানের পদে নিজেকে ঘোষণা করে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে এই বোর্ডে যোগদানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের এই আহ্বান শনিবার একটি জ্যেষ্ঠ সহকারী এএফপি‑কে জানিয়েছেন, যেখানে তিনি কার্নির অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশের কথা উল্লেখ করেছেন।

গাজা শান্তি পর্ষদকে গঠন করা হয়েছে যুদ্ধ‑পরবর্তী গাজা অঞ্চলের পুনর্নির্মাণ, মানবিক সহায়তা সমন্বয় এবং স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। বোর্ডের সদস্যরা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সম্পদ ব্যবহার করে অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ পুনঃস্থাপন এবং শরণার্থীদের পুনর্বাসন পরিকল্পনা করবে।

ট্রাম্প নিজেই পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং ইতিমধ্যে প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও প্রাক্তন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে সিনিয়র পদে নিয়োগ করেছেন। এই দুইজনের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা পর্ষদের কৌশলগত দিকনির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়াও ট্রাম্প মিশর, তুরস্ক ও আর্জেন্টিনার শীর্ষ নেতাদেরকে পর্ষদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন। এই দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সম্পর্ক গাজা পুনর্গঠনে বহুমুখী সমর্থন প্রদান করতে পারে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই আমন্ত্রণ গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার জ্যেষ্ঠ সহকারী এএফপি‑কে জানিয়েছেন যে, কানাডা গাজা শান্তি পর্ষদের কাজকে সমর্থন করার জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও আর্থিক সম্পদ সরবরাহে প্রস্তুত। কার্নি গাজা অঞ্চলের মানবিক সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

ট্রাম্পের এই উদ্যোগের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া মিশ্রিত। কিছু বিশ্লেষক যুক্তি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত এই পর্ষদ গাজা পুনর্গঠনে নতুন গতিবিধি আনতে পারে, অন্যদিকে কিছু দেশ এখনও গাজা পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। কানাডার অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্র‑কানাডা সম্পর্কের শক্তিশালীকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কানাডা‑যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই পদক্ষেপ দুই দেশের কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে পারে। গাজা শান্তি পর্ষদের মাধ্যমে উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে, যা তাদের আন্তর্জাতিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পর্ষদের প্রথম সভা গৃহীত হলে, গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনার বিশদ রূপরেখা উপস্থাপন করা হবে এবং সদস্য দেশগুলোকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গাজা শান্তি পর্ষদের কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গাজা অঞ্চলের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments