ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের অ্যান্ডার‑১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ‑এ ম্যাচে ভারত ও বাংলাদেশ দলের ক্যাপ্টেনদের টসের সময় ঐতিহ্যবাহী হ্যান্ডশেক করা হয়নি। টসের অনুষ্ঠানটি মাঠের কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দু’দলই ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন, তবে কোনো শারীরিক হাত মিলানো হয়নি।
এই ম্যাচটি টুর্নামেন্টের ১৯৭তম খেলা, যা গ্রুপ‑এ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সংগ্রহের সুযোগ প্রদান করে। উভয় দলই পূর্বে অ্যান্ডার‑১৯ স্তরে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের রেকর্ড রাখে এবং এই টুর্নামেন্টে শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছে।
হ্যান্ডশেক ক্রিকেটে ক্যাপ্টেনদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও স্পোর্টসম্যানশিপের প্রতীক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পালন করা হয়ে আসছে। টসের সময় এই রীতি অনুসরণ না করা নজরে পড়েছে এবং ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামের ভিড়ের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তবে টসের ফলাফল ও পরবর্তী খেলার পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।
টসের সময়, টস অফিসার দু’দলকে সমানভাবে সুযোগ দিয়ে টসের ফলাফল জানিয়ে দেন। ক্যাপ্টেনরা টসের ফলাফল জানার পরই তাদের দলকে কীভাবে খেলবে—বাটিং বা বোলিং—সেটি নির্ধারণ করেন। হ্যান্ডশেকের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, উভয় দলে খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের আগে প্রস্তুত অবস্থায় ছিলেন এবং ম্যাচের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন।
এই টসের অনুষ্ঠানটি ICC কর্তৃক নির্ধারিত প্রোটোকল অনুসরণ করে পরিচালিত হয়। টসের পরে, উভয় দলের কোচ ও সহায়ক কর্মীরা মাঠের পাশে অবস্থান করে খেলোয়াড়দের নির্দেশনা দেন। ম্যাচের শুরুর আগে উভয় দলে কৌশলগত আলোচনা এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নেওয়া হয়, যা টসের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।
ম্যাচের সময়সূচি অনুযায়ী, পরের গ্রুপ‑এ ম্যাচটি একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অন্য দুই দলও টসের পর একই রকম প্রোটোকল অনুসরণ করবে বলে আশা করা যায়। টুর্নামেন্টের অগ্রগতি এবং পয়েন্ট টেবিলের পরিবর্তন সম্পর্কে আরও তথ্য ICC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আপডেট হবে।
ইউনিভার্সাল অ্যান্ডার‑১৯ বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে, প্রতিটি ম্যাচের ফলাফল দলকে কোয়ালিফাইং রাউন্ডে অগ্রসর হতে বা বাদ পড়তে প্রভাবিত করে। তাই টসের ফলাফল, যদিও ছোট একটি অনুষ্ঠান, তবু দলের কৌশলগত সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখে। হ্যান্ডশেকের অনুপস্থিতি ম্যাচের ফলাফলে কোনো সরাসরি প্রভাব ফেলেনি, তবে এটি ক্রিকেটের ঐতিহ্যগত রীতির পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
সারসংক্ষেপে, ভারত ও বাংলাদেশ দলের মধ্যে টসের সময় হ্যান্ডশেক না করা একটি অপ্রচলিত ঘটনা, তবে ম্যাচের মূল বিষয়—দলীয় পারফরম্যান্স ও টুর্নামেন্টের অগ্রগতি—এটি কোনো বাধা সৃষ্টি করেনি। উভয় দলই তাদের তরুণ প্রতিভা দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার জন্য প্রস্তুত, এবং পরবর্তী ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সের দিকে নজর থাকবে।



