20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধউখিয়া রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানকে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রাণনাশের হুমকি

উখিয়া রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানকে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রাণনাশের হুমকি

কক্সবাজারের দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানকে টেলিফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকির সূত্র অনুসারে, রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ কাঠের কাঠামো উচ্ছেদ করার সময় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী নুর মোহাম্মদ মান্নানের কাজের বাধা সৃষ্টি করেন এবং পরে মান্নানকে হুমকি দেন।

কয়েক বছর আগে উখিয়া রেঞ্জে বনকর্মী সাজ্জাদের নির্মম হত্যার ঘটনা ঘটেছিল; সেই সময়ের স্মৃতি এখনও স্থানীয়দের মধ্যে বেঁচে আছে এবং একই রেঞ্জে কাজ করা কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মান্নানের ওপর হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মান্নান জানান, দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধিক অবৈধ কাঠের কাঠামো উচ্ছেদ করেছেন। এই অভিযানগুলিতে নুর মোহাম্মদ তার কাজের পথে বাধা দেন। বিশেষ করে গত বছরের ২৪ নভেম্বর উখিয়া সদর বিটে চলা অভিযানে নুর মোহাম্মদ সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন। ফলে মান্নান স্থানীয়দের সহায়তায় তৎক্ষণাৎ সরে যান, আর নুরের সহকর্মী হাবিবুল্লাহর ছেলে রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানের সময় নুর মোহাম্মদ মান্নানের বিরুদ্ধে হুমকি জানিয়ে অবৈধ কাঠের কাঠামো নির্মাণের অভিযোগে বন আইনে নিজে বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৫৩/২০২৫–২০২৬। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রাজাপালং ইউনিয়নের রাসেল (২৩), একই ইউনিয়নের মুবিন উল্লাহর ছেলে নুর মোহাম্মদ (৩৪), পালংখালী ইউনিয়নের আব্দুল মাবুদের ছেলে মফিজ উদ্দিন এবং রাজাপালং ইউনিয়নের আব্দুল বারীর ছেলে ছৈয়দ আলম।

মান্নান আরও জানান, নুর মোহাম্মদ বিভিন্ন উপায়ে তাকে হুমকি দিয়ে আসছেন, বিশেষ করে বনের জমিতে অবৈধ কাঠের কাঠামো নির্মাণের বিরোধে। গত বছরের ১৮ জুন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি মোট ৮৫টি অভিযান পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, বনের জমি রক্ষা করার সময় মান্নান পূর্বে বহু সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। নুর মোহাম্মদের সঙ্গে যোগাযোগের বহুবার চেষ্টা করা হলেও তিনি পাওয়া যায়নি।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের মতে, বনের জমি অবৈধভাবে দখল করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বনবিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং হুমকি বা বাধা সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বন সংরক্ষণে কোনো ধরনের হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়।

এই ঘটনায় স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। হুমকি প্রাপ্তির প্রমাণ হিসেবে টেলিফোন রেকর্ড ও হোয়াটসঅ্যাপের স্ক্রিনশট সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে আদালতে মামলার অগ্রগতি ও তদন্তের ফলাফল জনসাধারণের সামনে প্রকাশিত হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments