ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ইউটিএস-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ‑এ ম্যাচে ভারত ও বাংলাদেশ দলের অধিনায়কদের টসের সময় হ্যান্ডশেক না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টসটি দু’দলই উপস্থিত থেকে সম্পন্ন হয়, তবে ঐতিহ্যবাহী হ্যান্ডশেকের বদলে দুজনই হাত না মিলিয়ে টসের ফলাফল জানায়।
টসের ফলাফল জানায় যে ভারতীয় দল টস জিতে প্রথমে বলিং করার অধিকার গ্রহণ করে। ফলে বাংলাদেশীয় দলকে ব্যাটিং করতে হবে। টসের সময় হ্যান্ডশেক না করা নিয়ে উভয় দলের প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলা এবং খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের প্রতি অগ্রাধিকার দেওয়া এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ।
ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ভিলি-ডি-ভিলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের সূচি অনুযায়ী, টসের পরই দুই দলই মাঠে প্রবেশ করে এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করে। উভয় দলে উপস্থিত অধিনায়করা টসের পরপরই তাদের কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন, তবে হ্যান্ডশেক না করার বিষয়টি উভয় দিকেই স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হয়।
ইউটিএস-১৯ বিশ্বকাপের এই গ্রুপ‑এ ম্যাচে, ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই পূর্বের ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। তবে এই ম্যাচে হ্যান্ডশেক না করা নিয়ে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ পেয়েছে, কারণ এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাধারণত দেখা যায় না। ICC কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুসারে, খেলোয়াড় ও স্টাফের মধ্যে শারীরিক সংস্পর্শ কমিয়ে আনা হয়েছে, যা হ্যান্ডশেক বাদ দেওয়ার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসের সূচনা হয় বাংলাদেশীয় ব্যাটসম্যানদের দ্বারা। ভারতীয় বলারদের প্রথম ওভারগুলোতে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করা সত্ত্বেও, ব্যাটসম্যানরা সতর্কতা বজায় রাখে। তবে টসের সময় হ্যান্ডশেক না করা নিয়ে উভয় দলের কোচ ও অধিনায়করা পরবর্তীতে ম্যাচের ফলাফলকে প্রভাবিত করবে কিনা তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ম্যাচের শেষে, ভারতীয় দল জয়লাভের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে, তবে ফলাফল এখনও নির্ধারিত হয়নি। উভয় দলের পরবর্তী ম্যাচের সময়সূচি ইতিমধ্যে নির্ধারিত, যেখানে ভারতীয় দল পরের গ্রুপ‑এ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে এবং বাংলাদেশীয় দল পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচগুলোও একই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এবং টসের সময় হ্যান্ডশেক সংক্রান্ত নির্দেশনা পুনরায় প্রয়োগ করা হবে বলে আশা করা যায়।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নীতিমালার গুরুত্বকে পুনরায় তুলে ধরেছে। হ্যান্ডশেক না করা যদিও কিছু ভক্তের কাছে অস্বাভাবিক লাগতে পারে, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি একটি যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ICC ভবিষ্যতে এই ধরনের স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখবে এবং খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের প্রতি অগ্রাধিকার দেবে।
সারসংক্ষেপে, ভারত ও বাংলাদেশ দলের টসের সময় হ্যান্ডশেক না করা একটি নতুন নিয়মের প্রতিফলন, যা স্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে চলার জন্য নেওয়া হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল ও পরবর্তী প্রতিযোগিতা উভয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং উভয় দলই তাদের পারফরম্যান্স উন্নত করতে প্রস্তুত।



