22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাবাংলাদেশ ও ভারতের অধিনায়ক টসের সময় হাত না মিলিয়ে ম্যাচ শুরু

বাংলাদেশ ও ভারতের অধিনায়ক টসের সময় হাত না মিলিয়ে ম্যাচ শুরু

বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত অনু-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ ম্যাচে, টসের সময় বাংলাদেশি অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতের অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রে একে অপরের হাত না মিলিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন। টসের পর দুই দলই মাঠে প্রবেশ করে, যেখানে বাংলাদেশ জয়ী হয়ে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়।

এই ম্যাচটি জিম্বাবুয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবের মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং উভয় দলই একই গ্রুপে অবস্থান করে। টসের ফলাফল অনুযায়ী বাংলাদেশি দল প্রথমে ব্যাটিং করার সুযোগ পায় না, ফলে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়। ম্যাচের সময় শীতলতা বিরাজ করলেও, দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠে মনোযোগীভাবে খেলায় অংশ নেয়।

হাত না মিলানোর সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো আনুষ্ঠানিক দলীয় নির্দেশনা ছিল না বলে স্পষ্ট হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত- পাকিস্তান ম্যাচে ভারতীয় দল বারবার এই রীতি এড়িয়ে গেছে, যা এই ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা যায়। পূর্বে সেপ্টেম্বরের এশিয়া কাপের সময়, ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে টসের সময় এবং ম্যাচের পর কোনো হাত মিলিয়ে না দেখায়, এবং সেই সময় ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব সামরিক সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে, বাংলাদেশি ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতীয় মাটিতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া এবং আইসিসি কর্তৃক প্রকাশিত ‘ইন্টারনাল থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট’ উল্লেখ করা হয়, যেখানে ভারতে নিরাপত্তা ঝুঁকি উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে, বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবি উভয়ই ভারতীয় মাটিতে টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার অবস্থান বজায় রেখেছে।

বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায় শুরু হবে। গ্রুপ ম্যাচের সব বাংলাদেশি টিমের খেলা ভারতে নির্ধারিত, যদিও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

হাত না মিলানোর রীতি যদিও কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি একটি সাধারণ শিষ্টাচার হিসেবে বিবেচিত হয়। এই রীতির অনুপস্থিতি কখনো কখনো রাজনৈতিক বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের সূচক হতে পারে, যা এই ম্যাচে স্পষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলমান নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনায়, আইসিসি ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায়, বাংলাদেশি ভেন্যু বিষয়টি এখনো অনির্ধারিত অবস্থায় রয়েছে। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত হলে, উভয় দেশের দল পুনরায় একসঙ্গে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে পারে।

এই ম্যাচের ফলাফল এবং অধিনায়কদের আচরণ উভয়ই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া পরিবেশে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সংবেদনশীলতার গুরুত্বকে পুনরায় তুলে ধরেছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments