দ্বি-প্রতিভা ধনু, তামিল চলচ্চিত্রের শীর্ষ অভিনেতা, এবং তরুণী অভিনেত্রী মৃণাল থাকুরের ভ্যালেন্টাইন ডে-তে বিবাহের গুজব সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে মুম্বাইয়ের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু, যিনি ধনুর কাজের সঙ্গে যুক্ত একজন প্রযোজক-নির্দেশক, এই অস্বস্তিকর তথ্যকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, দুজনের মধ্যে কোনো বিয়ে পরিকল্পনা নেই এবং এই গুজবের কোনো ভিত্তি নেই।
বন্ধুজন হালকা মেজাজে মন্তব্য করে বলেন, “এতে দুজনের কাছে এক মাসের কম সময়ই থাকবে প্রস্তুতির জন্য,” এবং এ কথাটি মজার ছলে বলার পরেও তিনি গুজবের অস্বার্থতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ধনু এবং তিনি প্রতিদিনই কথা বলেন, তবু ধনু কখনোই তার বিয়ের কোনো পরিকল্পনা তার সঙ্গে শেয়ার করেননি।
এমনকি তিনি আরও যোগ করেন, “যদি ধনু আমাকে না জানায়, তবে আর কেউ কীভাবে জানবে?” এই কথার মাধ্যমে তিনি গুজবের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং জানান যে, ধনু তার ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে খুবই গোপনীয়তা বজায় রাখেন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ধনু ও তার প্রাক্তন স্ত্রীর আইনি বিচ্ছেদের পর দুজনই পারস্পরিক সম্মতিতে তাদের দুই সন্তান—যাত্রা ও লিঙ্গা—কে একসাথে লালন-পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পারিবারিক ব্যবস্থা সম্পর্কে বন্ধুটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, ধনু বর্তমানে পুনর্বিবাহের কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। তিনি বলেন, “ধনু তার সন্তানদের জন্য কোনো স্টেপমাদার আনতে চান না,” যা তার পিতৃত্বের প্রতি দায়িত্ববোধকে তুলে ধরে।
মৃণাল থাকুরের সঙ্গে ধনুর সম্পর্কের বিষয়ে তিনি মন্তব্যে দ্বিধা প্রকাশ করেন। যদিও দুজনের মধ্যে পারস্পরিক স্নেহের ইঙ্গিত রয়েছে, তবু তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিয়ের সংকেত নয়, এটাই তার মূল বক্তব্য। তিনি বলেন, “তারা একে অপরকে পছন্দ করে, তবে তা বিয়ের পরিকল্পনা নির্দেশ করে না।” এই মন্তব্য গুজবের অতিরিক্ত বিস্তার রোধে সহায়ক।
ধনু এবং মৃণাল দুজনই সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন চলচ্চিত্রে কাজ করছেন; ধনু তার সাম্প্রতিক বক্স অফিস হিট ‘যোদ্ধা’ দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন, আর মৃণাল ‘সামান্য’ এবং ‘দ্য সিক্রেট গার্ল’ মত প্রকল্পে তার অভিনয় দক্ষতা প্রদর্শন করছেন। তবে তাদের পেশাগত সাফল্য গুজবের সঙ্গে যুক্ত হওয়া কোনো প্রমাণ নয়।
এ পর্যন্ত ধনু বা মৃণাল থাকুরের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়নি। তাদের প্রতিনিধিরাও গুজবের কোনো স্বীকৃতি দেননি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে কোনো তথ্য শেয়ার করেননি। তাই বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র বন্ধুর মন্তব্যই এই গুজবের সত্যতা সম্পর্কে একমাত্র প্রকাশিত সূত্র।
পাঠকগণকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে, কোনো গুজবের ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত অনুমান না করে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যখন নিজস্বভাবে তথ্য প্রকাশ করবেন, তখনই তা গ্রহণ করা উচিত। বিনোদন জগতের গতি দ্রুত, তবে সত্যিকারের তথ্যের ভিত্তিতে মতামত গঠন করা সর্বোত্তম।



