20 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeপ্রযুক্তিসিলেট ও সিরাজগঞ্জে শনিবার নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার বিদ্যুৎ বন্ধ

সিলেট ও সিরাজগঞ্জে শনিবার নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার বিদ্যুৎ বন্ধ

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ‑১ আগামী শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখবে। এই ব্যবস্থা ট্রান্সফরমার মেরামত ও সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নের জন্য জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। একই দিনে সিরাজগঞ্জ জেলায়ও সমান সময়সীমায় বিদ্যুৎ বন্ধের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এবং গ্রীষ্মকালীন চাহিদা ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে সেবা বিঘ্ন রোধ করতে এই রক্ষণাবেক্ষণ কাজগুলো অপরিহার্য বলে বিবেচিত হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী যদি নির্ধারিত সময়ের আগে সমাপ্তি ঘটে, তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ তৎক্ষণাৎ পুনরায় চালু করা হবে।

সিলেট নগরীর মধ্যে শেকঘাট ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের অধীনে থাকা বিএডিসি অফিস ও তার পার্শ্ববর্তী পয়েন্ট, শুভেচ্ছা আবাসিক এলাকা, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, জিতু মিয়ার পয়েন্ট, তালতলা ভিআইপি রোডের পার্ক ভিউ হাসপাতাল ও হিলটাউন আবাসিক হোটেল, কাজিরবাজার, তালতলা পয়েন্ট ও আশপাশের অঞ্চল, তেলি হাওর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বন্দরবাজারের কোর্ট পয়েন্ট এই সব স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এর পাশাপাশি সিলেটের সুরমা মার্কেট, রামের দিঘীরপাড়, মির্জাজাঙ্গাল পয়েন্ট, তোপখানা, মির্জাজাঙ্গালের নির্ভানা ইন হোটেল, কোতোয়ালি থানা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা, সিলেট সার্কিট হাউজ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট পুলিশ সুপারintendents অফিস, বন্দরবাজারের প্রধান ডাকঘর, কলাপাড়া মসজিদ, ডহর আবাসিক এলাকা, কুষ্ঠ হাসপাতাল ও তার আশপাশের এলাকায়ও বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে।

সিলেটের গ্রাহকদের জন্য এই অস্থায়ী অস্বস্তি সম্পর্কে ক্ষমা প্রকাশ করা হয়েছে এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজের স্বার্থে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। একই সময়ে সিরাজগঞ্জ জেলায়ও বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ‑২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অশীথ পোদ্দার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রায়পুর ৩৩/১১ কেভি সাব‑স্টেশনে জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চালু থাকবে।

এই কাজগুলো মূলত সাব‑স্টেশন ও ট্রান্সফরমারগুলোর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, লাইন লিকেজ কমানো এবং সিস্টেমের সামগ্রিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য করা হচ্ছে। কাজের পরিধি সম্পন্ন হলে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনের সময়ে বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে নেটওয়ার্কের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ সম্ভব হবে।

প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায়, ট্রান্সফরমার রক্ষণাবেক্ষণ এবং সঞ্চালন লাইনের আপগ্রেড বিদ্যুৎ সরবরাহের গুণগত মান উন্নত করে, যা ইন্টারনেট, মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য ডিজিটাল সেবার স্থায়িত্বে সরাসরি প্রভাব ফেলে। স্থিতিশীল বিদ্যুৎ না থাকলে ডেটা সেন্টার, ক্লাউড সার্ভার এবং স্মার্ট ডিভাইসের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে, ফলে ব্যবসা ও শিক্ষা ক্ষেত্রেও ক্ষতি হয়।

অতএব, বিদ্যুৎ সংস্থাগুলো যে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের পরিকল্পনা করে, তা কেবল বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করে না, বরং দেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে সমর্থন করে। এই ধরনের পরিকল্পিত বন্ধের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে অপ্রত্যাশিত ব্ল্যাকআউটের ঝুঁকি কমে এবং গ্রাহকদের জন্য পরিষেবার গুণগত মান বজায় থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করা হচ্ছে, বিদ্যুৎ বন্ধের সময়ে ব্যাকআপ জেনারেটর, পোর্টেবল ব্যাটারি বা সোলার প্যানেল ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় কাজ চালিয়ে যেতে। একই সঙ্গে, সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলা এবং রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের নিরাপদে কাজ সম্পন্ন করার জন্য সহযোগিতা করা জরুরি।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
AI-powered প্রযুক্তি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments