22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাকোর্টনি ওয়ালশ জিম্বাবুয়ে কোচিং স্টাফে যোগ দিলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রস্তুতি শুরু

কোর্টনি ওয়ালশ জিম্বাবুয়ে কোচিং স্টাফে যোগ দিলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রস্তুতি শুরু

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পেসার কোর্টনি ওয়ালশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্বে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের কোচিং স্টাফে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের একটি অফিসিয়াল ঘোষণায় এই পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ওয়ালশ ইতিমধ্যে দলের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন।

কোর্টনি ওয়ালশ ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ৫০০ উইকেট তোলা বোলার, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক। নতুন দায়িত্বে যোগদানের পর তিনি দলের জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি সুযোগের সদ্ব্যবহার, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলা এবং শর্তের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।

জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বোলিং ইউনিটের নেতৃত্বে রয়েছে ক্যাপ্টেন সিকান্দার রাজা। তার সঙ্গে ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা এবং টিনোটেন্ডা মাপোসা বোলার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে ব্র্যাড ইভানস এবং তাসিঙ্গা মুসেকিওয়া দলে আছেন, যারা ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই অবদান রাখবেন।

জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং ওমানের দলগুলো রয়েছে। দলটি ৯ ফেব্রুয়ারি ওমানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে, যা তাদের বিশ্বকাপ অভিযানের সূচনা চিহ্নিত করবে।

গত বছর ২০২৪ বিশ্বকাপের কোয়ালিফিকেশন না পারলেও, জিম্বাবুয়ে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে কোচিং স্টাফে অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে কোর্টনি ওয়ালশের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ওয়ালশের যোগদানের ফলে দলের বোলিং পরিকল্পনা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি তার বিশাল অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত জ্ঞান দিয়ে তরুণ বোলারদের গঠনমূলক নির্দেশনা দেবেন এবং শর্তের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করবেন।

সিকান্দার রাজা এবং তার বোলিং ইউনিটের সদস্যরা ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ শিবিরে কঠোর পরিশ্রমে লিপ্ত। তারা বিভিন্ন শর্তে গতি, লাইন এবং দৈর্ঘ্য নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিচ্ছেন, যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।

ব্র্যাড ইভানস এবং তাসিঙ্গা মুসেকিওয়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে দলকে অতিরিক্ত বিকল্প প্রদান করবেন। তাদের ব্যাটিং ক্ষমতা ও বোলিং দক্ষতা দলকে ব্যালেন্সড করতে সহায়তা করবে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যেখানে দ্রুত রানের প্রয়োজন হয়।

গ্রুপ ‘বি’ তে অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা এবং ওমানের মতো শক্তিশালী দল রয়েছে। জিম্বাবুয়ের জন্য এই দলগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিটি ম্যাচই চ্যালেঞ্জের সমান, তবে কোর্টনি ওয়ালশের অভিজ্ঞতা ও দলের সামগ্রিক প্রস্তুতি তাদের পারফরম্যান্সকে উঁচুতে তুলতে পারে।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ওমানের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার পর দলটি পরবর্তী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে, যা তাদের জন্য বড় পরীক্ষা হবে। এই পর্যায়ে কোর্টনি ওয়ালশের কৌশলগত নির্দেশনা এবং দলের মানসিক প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সারসংক্ষেপে, কোর্টনি ওয়ালশের যোগদান জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিকে নতুন দিক দিয়েছে। তার অভিজ্ঞতা, দলের বোলিং ইউনিটের শক্তি এবং ক্যাপ্টেন সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে দলটি গ্রুপ ‘বি’ তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, এবং ৯ ফেব্রুয়ারি ওমানের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শুরু হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments