মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে ১৪৭ রানে আট উইকেট নষ্ট করে সিলেট টাইটানসকে ১৪২ রানে নয় উইকেটের সঙ্গে ৫ রানে পরাজিত করে শীর্ষে উঠে এসেছে।
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেওয়া রাজশাহী শুরুরই দুই ওপেনারকে দ্রুতই হারায়, যা তাদের স্কোরকে প্রাথমিকভাবে অস্থির করে তুলেছিল।
এরপর মাঝারি ক্রমে মুশফিকুর রহিমের ৪০ রান দলের সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে উঠে আসে, যা শেষ পর্যন্ত মোট ১৪৭ রানে রূপান্তরিত হয়।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ব্যাটিং লাইন‑আপের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সীমিত ওভারের মধ্যে রেট বজায় রাখার ক্ষমতা তাদেরকে লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।
সিলেট টাইটানসের শুরুর শটগুলো তুলনামূলকভাবে দৃঢ় ছিল, ফলে তারা প্রথমে ভালো গতি পায় এবং রানের প্রবাহ বজায় রাখে।
কিন্তু রাজশাহীর বোলাররা ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করে, বিশেষ করে রিপন মণ্ডল, যিনি একই ইনিংসে চারটি উইকেট নেন এবং প্রতিপক্ষের গতি ধীর করে দেন।
সিলেটের শেষ পর্যন্ত ১৪২ রানে নয় উইকেট নষ্ট করার পরেও তারা লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়, ফলে ম্যাচের ফলাফল ৫ রানের পার্থক্যে নির্ধারিত হয়।
বোলিং দিক থেকে রিপন মণ্ডলের চারটি উইকেটের পাশাপাশি দলের অন্যান্য বোলারদের সমন্বিত পারফরম্যান্স সিলেটের রানের প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে।
এই জয়ের ফলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে, যেখানে তারা এখন পর্যন্ত অর্জিত পয়েন্টের ভিত্তিতে লিগে প্রথম অবস্থান দখল করেছে।
দলটি পরবর্তী রাউন্ডে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, যেখানে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বজায় রাখার জন্য কৌশলগত সমন্বয় প্রয়োজন হবে।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উভয় দলের খেলোয়াড়ের প্রচেষ্টা এবং মাঠের পরিবেশের প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা বাংলাদেশের টি২০ ক্রিকেটের উত্সাহকে আরও উজ্জীবিত করেছে।



