যুক্তরাষ্ট্রের দুই দশকের বেশি সময় ধরে আফগানিস্তানে পরিচালিত সামরিক অভিযান ও পুনর্গঠন প্রকল্প শেষ হওয়ার পর দেশটি ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধের শেষের মুহূর্তে শত্রু শক্তি ও স্থানীয় গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের চিহ্ন দেখা যায়, আর মানবিক অবস্থা অবনতির শীর্ষে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই মিশনকে সফলতা হিসেবে উপস্থাপন করার প্রচেষ্টা চালিয়েও বাস্তবে অবশিষ্ট অবকাঠামো ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। শহরগুলোতে ধ্বংসাবশেষ, বেসামরিক জীবনে বিশাল ক্ষতি এবং মৌলিক সেবার অভাব স্পষ্ট।
বিশ্লেষকরা যুক্তি দেন যে এই ব্যর্থতার মূল কারণ কেবল সামরিক কৌশলের ত্রুটি নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য। দীর্ঘমেয়াদী হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নীতিগত অসঙ্গতি, লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন এবং অপ্রতুল সমন্বয় প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
বড় বড় প্রতিরক্ষা ঠিকাদার সংস্থাগুলোর আর্থিক স্বার্থও এই সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করতে সহায়তা করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ রাজ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে, ফলে কংগ্রেসের জন্য প্রতিরক্ষা বাজেট কমানো কঠিন হয়ে পড়ে এবং যুদ্ধের খরচ বাড়তে থাকে।
আজকের আফগানিস্তানের মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখের বেশি জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ বেঁচে থাকার জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল, যা দেশের মৌলিক চাহিদা পূরণে অপর্যাপ্ত।
মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে অনেকেই স্বীকার করেছেন যে তারা এমন একটি সরকারকে সমর্থন দিচ্ছিলেন, যা সম্পূর্ণভাবে বিদেশি তহবিলের ওপর নির্ভরশীল। এই সরকারকে শক্ত



