19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনজোয়ি সালডানা 'অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ' দিয়ে বিশ্বে সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী হন

জোয়ি সালডানা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ দিয়ে বিশ্বে সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী হন

বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী জোয়ি সালডানা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত “অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ” ছবির বিশাল বক্স অফিস সাফল্যের ফলে শীর্ষে উঠে এসেছে। এই অর্জনটি হিন্দুস্তান টাইমসের বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৪ সাল পর্যন্ত সালডানার চলচ্চিত্রের সম্মিলিত আয় ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা তাকে স্কারলেট জোহানসন ও স্যামুয়েল এল. জ্যাকসনের পরে তৃতীয় স্থানে রাখে। তবে ডিসেম্বর ২০২৫-এ মুক্তিপ্রাপ্ত “অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ” একাই ১.২৩ বিলিয়ন ডলার আয় করে, যা তাকে এককভাবে শীর্ষে নিয়ে আসে।

সালডানা এই সাফল্যের জন্য স্টার ট্রেকের পরিচালক জে. জে. অ্যাব্রামস, অ্যাভেঞ্জার্সের জো ও অ্যান্থনি রুসো, গার্ডিয়ানসের জেমস গ্যান এবং সর্বোচ্চ সম্মানিত চলচ্চিত্র নির্মাতা জেমস ক্যামেরনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে ক্যামেরনের উদ্ভাবিত পারফরম্যান্স ক্যাপচার প্রযুক্তির প্রশংসা করেছেন, যা চরিত্রের বাস্তবতা বাড়াতে সহায়তা করেছে।

ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি প্রকাশ করেছেন, “আপনাদের সমর্থন ছাড়া এই সাফল্য সম্ভব হতো না; এই জয় আমাদের সকলের।” তার এই মন্তব্যে ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতে আবারও কোনো নারী এই রেকর্ড ভাঙবে বলে আশাবাদী।

মার্চ ২০২৫-এ সালডানা “এমিলিয়া পেরেজ” ছবিতে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জিতেছেন, যা তাকে প্রথম ডোমিনিকান-আমেরিকান অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি পুরস্কার অর্জনকারী করে তুলেছে। এই পুরস্কার তার ক্যারিয়ারে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তার অভিনয় দক্ষতা ও বহুমুখী চরিত্রের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছেন।

“অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ” ছবিতে তিনি নেভি যোদ্ধা নেইতিরি চরিত্রে ফিরে এসেছেন, যিনি মানব থেকে নেভি হয়ে ওঠা নেতা জেক সালি (স্যাম ওয়ার্থিংটন) এর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এই সম্পর্কটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল আবেগের অংশ হিসেবে কাজ করে। ছবির গল্পে নেইতিরি এবং জেকের বন্ধন দর্শকদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

নেভি চরিত্রটি নীল রঙের, আট ফুট লম্বা এবং জেমস ক্যামেরনের বিশেষ পারফরম্যান্স ক্যাপচার প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি অভিনেতার শারীরিক আন্দোলন ও আবেগকে সরাসরি ডিজিটাল চরিত্রে রূপান্তরিত করে, ফলে দৃশ্যগুলো অধিক বাস্তবসম্মত হয়। সালডানা উল্লেখ করেছেন, “এই জগৎ এত বাস্তব মনে হয়, কারণ অভিনয়টাই জিমের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments