20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিরিজভী বললেন, আঞ্চলিক‑গ্লোবাল শক্তি বাংলাদেশের কয়লা‑গ্যাস দখলে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে

রিজভী বললেন, আঞ্চলিক‑গ্লোবাল শক্তি বাংলাদেশের কয়লা‑গ্যাস দখলে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে অবশিষ্ট কয়লা ও গ্যাস সম্পদকে শোষণ করার লক্ষ্যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো সমন্বিত পরিকল্পনা চালাচ্ছে – এ অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে অনুষ্ঠিত আলোকচিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মত প্রকাশ করেন।

প্রদর্শনীটি বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল ফোরাম, ঢাকা আয়োজন করেছে এবং এতে মৃত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন ও কর্মের ছবি প্রদর্শিত হয়। রিজভী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশের শীর্ষ সম্পদ সংরক্ষণে চলমান “ষড়যন্ত্র” সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

রিজভী উল্লেখ করেন, ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পরিকল্পিত একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প একসময় ভারত সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বাতিল করেছিল। তবে, তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনামলে” সেই প্রকল্পটি রামপালে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং তা স্পষ্টতই দেশবিরোধী।

তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়া কখনোই এমন কোনো দেশবিরোধী প্রকল্পে সমর্থন দেখাতে পারতেন না; তাই তাকে রাজনৈতিকভাবে দমন করে জেলে পাঠানো হয়। রিজভীর মতে, জেলখানায় যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে তাকে মৃত্যুর পথে ঠেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা জিয়ার শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তারা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনকে দেশের স্বাধিনতা ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন।

রিজভীর মন্তব্যের পর, উপস্থিতদের মধ্যে কিছু লোক সরকারী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেন, তবে কোনো সরকারী প্রতিনিধির মন্তব্য রেকর্ডে নেই।

বিএনপি নেতারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা দাবি করে আসছেন। রিজভীর এই বক্তব্যও সেই ধারার অংশ, যেখানে তিনি সরকারী নীতিমালাকে “দেশবিরোধী” বলে সমালোচনা করেন।

ঝাড়খণ্ডের বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে, রিজভী উল্লেখ করেন যে ভারত সরকারের মূল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় প্রথমে প্রকল্পটি বাতিল করেছিল, তবে পরবর্তীতে তা পুনরায় চালু করা হয়। তিনি এটিকে “ফ্যাসিবাদী শাসনামলে” বাস্তবায়িত হওয়ায় দেশের স্বার্থের বিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করেন।

রিজভীর মতে, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দমন ও জেলখানায় চিকিৎসা অবহেলা তার মৃত্যুর দিকে নিয়ে গিয়েছিল। তিনি জিয়ার মৃত্যুর পেছনে সরকারের ইচ্ছাকৃত অবহেলা ও পরিকল্পিত “মৃত্যু” ঘটানোর ইঙ্গিত দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক ও বিশ্লেষকরা রিজভীর মন্তব্যকে দেশের সম্পদ রক্ষার জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তারা উল্লেখ করেন, যদি সরকারী নীতি স্বার্থপর হয়, তবে তা দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

বিএনপি নেতারা ভবিষ্যতে এই ধরনের “দেশবিরোধী” প্রকল্পের বিরোধিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সম্পদ শোষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এই ঘটনার পর, সরকারী পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য বা ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, রিজভীর এই বক্তব্যের ফলে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্রতা বাড়তে পারে এবং পরবর্তী সময়ে সম্পদ নীতি নিয়ে বিতর্ক তীব্র হবে।

বিএনপি ও সরকারী দল উভয়েরই দাবি, দেশের স্বার্থে ন্যায্য ও স্বচ্ছ নীতি গঠন করা। রিজভীর এই অভিযোগের পর, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন এক উত্তেজনা দেখা দেবে, যা ভবিষ্যতে আইনসভার আলোচনায় এবং আন্তর্জাতিক আলোচনায় প্রতিফলিত হতে পারে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments