রংপুর ক্রিকেট দল তিনটি ধারাবাহিক পরাজয়ের পর নতুন অধিনায়ক নিযুক্ত করেছে। জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি শাখা থেকে ৭ লক্ষ টাকার চুক্তিতে লিটনকে দলভুক্ত করা হয় এবং তিনি এখন দলের নেতৃত্বে আছেন।
লিটন পূর্বে কেবল ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তিনি উইকেটকিপার বা অধিনায়ক হিসেবে কোনো অভিজ্ঞতা রাখেন না। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আটটি ম্যাচে তিনি ১৩৫ স্ট্রাইক রেটের সঙ্গে মোট ১৬২ রান সংগ্রহ করেছেন।
বড় চুক্তি সত্ত্বেও লিটন এখনও নিজের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। তার ব্যাটিং গড় ও গতি দলকে প্রত্যাশিত ত্বরান্বিত স্কোর দিতে যথেষ্ট নয় বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।
রংপুরের প্লে‑অফ নিশ্চিত না হলেও দলটি আত্মবিশ্বাসী। আটটি ম্যাচের মধ্যে চারটি জয় পেয়ে তারা আট পয়েন্টে টেবিলের চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এই অবস্থান থেকে তারা সুপার ফোরে প্রবেশের সম্ভাবনা বজায় রেখেছে।
দলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী প্রত্যেকেই চারটি ম্যাচে দুইটি করে জয় অর্জন করেছে। উভয় দলই রংপুরের মতোই পয়েন্ট সংগ্রহে সমানভাবে এগিয়ে রয়েছে।
আগামীকাল ঢাকা ক্যাপিটালস নোয়াখালীর মুখোমুখি হবে, আর পরশু রংপুর নোয়াখালীর সঙ্গে মাঠে নামবে। এই ম্যাচগুলো রংপুরের সুপার ফোরে যাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
লিটন দলের বর্তমান অবস্থান নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখা যাচ্ছে না। যদি আমরা এই ম্যাচটি জিততে পারি, তবে সুপার ফোরে প্রবেশের দরজা খুলে যাবে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “প্রতিটি ম্যাচে জয় অর্জন করা আমাদের ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানোর মূল শর্ত।”
তিনি আরও যোগ করেন, “যদি আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, তবে স্বাভাবিকভাবেই সুযোগ আমাদের দিকে আসবে।” লিটনের এই বক্তব্য দলকে মনোযোগী ও আত্মবিশ্বাসী রাখার উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে।
ক্রিকেটের পাশাপাশি ক্রীড়া সংস্থার নেতৃত্বে থাকা কোয়াবের সভাপতি মিঠুনের ফোনে হুমকির খবরও প্রকাশ পেয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, মিঠুন সম্প্রতি অনির্দিষ্ট ফোন কলের মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়েছেন।
রংপুরের নতুন অধিনায়ক ও তার দল এখন পরবর্তী ম্যাচে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে, ধারাবাহিক জয়ের মাধ্যমে সুপার ফোরে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখছে। তাদের পারফরম্যান্স কিভাবে উন্নত হবে, তা আগামী দুই ম্যাচের ফলাফলে নির্ভরশীল।



