তারেক রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে ১৬ জানুয়ারি সকাল ৯টায় টেলিকনফারেন্সে অংশ নেন; দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতি, নেগোশিয়েশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আলোচিত হয়।
টেলিকনফারেন্সের সময়কাল প্রায় আধা ঘন্টা, যেখানে বাংলাদেশ‑যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
গ্রিয়ার বাণিজ্য নেগোশিয়েশনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানার জন্য তারেককে প্রশ্ন করেন; তারেক জানান সরকার যে আলোচনায় অংশ নিয়েছে, তাতে তাদের সম্মতি রয়েছে।
তারেক আরও উল্লেখ করেন, বাণিজ্য আলোচনায় সরকারের অগ্রগতিতে বিএনপি কোনো আপত্তি বা দ্বিমত প্রকাশ করেনি।
বিএনপি চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির টেলিকনফারেন্সের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন, তবে আলোচনার বিশদে প্রবেশ করেন না।
কূটনৈতিক সূত্রের মতে, তারেক কোনো সরকারি পদে না থাকলেও শীর্ষ বাণিজ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি সংলাপ কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডা লিনচ (দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া), ডিরেক্টর এমিলি অ্যাশবি (দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া), ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ রিক সুইটজার, ইউএসটিআর চিফ অব স্টাফ স্যাম মুলোপুলোস এবং ডি. আর. সেকিঞ্জার (ডেপুটি ইউএসটিআরের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার)।
এই কর্মকর্তারা বাণিজ্য নীতি, ট্যারিফ হ্রাস এবং বাজার প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে তথ্য শেয়ার করেন, যদিও নির্দিষ্ট চুক্তির বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।
তারেকের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, সরকার পূর্বে করা নেগোশিয়েশনে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখেছে এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য প্রস্তুত।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ‑যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচিত হতে পারে, বিশেষত ট্যারিফ হ্রাস ও সেবা খাতের প্রবেশের ক্ষেত্রে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, তারেকের অ-সরকারি অবস্থান এবং বিএনপির নীতি অবস্থান ভবিষ্যৎ আলোচনার গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে।
পরবর্তী ধাপে, উভয় পক্ষের মধ্যে সরাসরি মিটিং বা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত রূপ দিতে পারে।



