28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাঢাবি টিএসসিতে কাওয়ালি সন্ধ্যা ও ন্যায়বিচার দাবি সহ একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘোষণা

ঢাবি টিএসসিতে কাওয়ালি সন্ধ্যা ও ন্যায়বিচার দাবি সহ একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কাওয়ালি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হবে, যা ২০২২ সালের অনিয়ন্ত্রিত হামলার চার বছর পূর্তি স্মরণে এবং ন্যায়বিচার দাবির প্রতীক হিসেবে পরিকল্পিত। অনুষ্ঠানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে আয়োজিত, এবং একই সময়ে নওবাব সলিমুল্লাহর ১১২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়ারত ও মেরাজের পবিত্র শবে দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে।

২০২২ সালে টিএসসিতে কাওয়ালি সন্ধ্যা চলাকালীন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অনুপ্রবেশে হিংসাত্মক হামলা ঘটেছিল, যেখানে কয়েকজন শিল্পী ও অংশগ্রহণকারী আহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকে কাওয়ালি সংস্কৃতির নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা চলমান, এবং এই বছর চার বছর পূর্তি উপলক্ষে পুনরায় অনুষ্ঠানটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টিএসসিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছেন যে, শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত কাওয়ালি সন্ধ্যায় দেশের শীর্ষস্থানীয় কাওয়ালি শিল্পীরা অংশ নেবেন এবং ২০২২ সালের হামলার শিকার শিল্পীও তাদের শিল্প প্রদর্শন করবেন।

প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে যে, কাওয়ালি সন্ধ্যায় ঐতিহ্যবাহী রাগ-ধুনের পাশাপাশি আধুনিক সুরের সংমিশ্রণ থাকবে, যা তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া, হামলার শিকারদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার দাবি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হবে।

অনুষ্ঠানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নওবাব সলিমুল্লাহর ১১২তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) তার কবরস্থানে জিয়ারত আয়োজনের ঘোষণা। মুসাদ্দিক উল্লেখ করেন, এই অনুষ্ঠানটি ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধকে পুনরুজ্জীবিত করবে।

পবিত্র শবে মেরাজের উপলক্ষে, একই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের মধ্যে দোয়া মাহফিলের ব্যবস্থা করা হবে। এই ধর্মীয় সমাবেশটি শিক্ষার্থীদের আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করার পাশাপাশি একাত্মতা ও শান্তির বার্তা প্রচার করবে।

মুসাদ্দিকের মতে, এই সব কর্মসূচি একসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করবে এবং ন্যায়বিচারের দাবি উত্থাপন করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা কেবল শিক্ষাদানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সামাজিক ন্যায়বিচার ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা হিসেবেও কাজ করা উচিত।

শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারিক পরামর্শ: কাওয়ালি সন্ধ্যা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আপনি শুধু শিল্পের সৌন্দর্য উপভোগ করবেন না, বরং ন্যায়বিচার ও সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবেন। আপনি কি আপনার ক্যাম্পাসে এমন কোনো সাংস্কৃতিক বা সামাজিক উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে প্রস্তুত?

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments