ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাইওয়ানের সঙ্গে একটি বিশাল বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার লক্ষ্য দেশের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো। চুক্তি বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় প্রকাশিত হয়।
চুক্তি অনুসারে, তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি ২৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এই তহবিল সেমিকন্ডাক্টর, শক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) উৎপাদন ও গবেষণার বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যবহার হবে।
তাইওয়ান বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টরের অর্ধেকের বেশি উৎপাদন করে, যা গ্লোবাল সরবরাহ শৃঙ্খলে তার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানকে তুলে ধরে।
বিনিয়োগের পাশাপাশি, তাইওয়ান অতিরিক্ত ২৫০ বিলিয়ন ডলারের ক্রেডিট গ্যারান্টি প্রদান করবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ভবিষ্যতে আরও বড় প্রকল্পে অর্থায়ন পেতে পারে।
বিনিয়োগের সময়সীমা এখনও স্পষ্ট নয়; চুক্তিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি, তবে উভয় পক্ষই দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার ইঙ্গিত দিয়েছে।
এর বিনিময়ে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর, প্রতিরক্ষা, AI, টেলিকমিউনিকেশন এবং বায়োটেকনোলজি খাতে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের মোট পরিমাণ চুক্তিতে প্রকাশ করা হয়নি, তবে উল্লেখযোগ্য সম্পদ এই ক্ষেত্রগুলোতে প্রবাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তি প্রকাশের ঠিক আগের দিন ট্রাম্প প্রশাসন একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে, যেখানে দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
প্রকাশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১০ শতাংশ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদিত হয়, যা আন্তর্জাতিক সরবরাহের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়ে তুলেছে।
বিদেশি সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর নির্ভরতা অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে; কোনো ব্যাঘাত ঘটলে শিল্প ও সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে।
একই ঘোষণায় উন্নত AI চিপের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে, যা উচ্চ প্রযুক্তি পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে তুলতে পারে।
চ



