27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ প্রেস কনফারেন্সে মিঠুনের ‘লিমিট ক্রস করলে অ্যাকশন’...

ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ প্রেস কনফারেন্সে মিঠুনের ‘লিমিট ক্রস করলে অ্যাকশন’ ঘোষণা

ঢাকার একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। তিনি উপস্থিত তিনটি ফরম্যাটের জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদি হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাস, সহ‑সভাপতি নুরুল হাসান সোহান ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুর রহমান শুভকে সঙ্গে নিয়ে বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করেন।

মিঠুন জানান, কোয়াবের সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অবহেলার ফলে আজকের অবস্থা গড়ে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর এই অবসাদ আরও তীব্রতর হয়েছে এবং দলের মধ্যে ক্ষোভের স্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠেছে।

বিসিবির সঙ্গে বন্ধ দরজা ও খোলা দরজা উভয় ধরণের আলোচনার পরেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি, এ কথাও মিঠুন জোর দেন। তিনি বলেন, মাসের পর মাস, দিন দিন কোয়াবের প্রতিনিধিরা বিসিবির কাছে ১৫ থেকে ২০টি ভিন্ন ভিন্ন ইস্যু নিয়ে গেছেন, তবে এখন পর্যন্ত কোনো একটিই সমাধান করা হয়নি।

মিঠুনের মতে, সবকিছুরই একটি সীমা আছে; যখন সেই সীমা অতিক্রম করা হয়, তখন আর কোনো বিকল্প না থেকে অ্যাকশন নেওয়া ছাড়া আর পথ থাকে না। তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘অসহায়তা ও বাধ্যতামূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

সহ‑সভাপতি নুরুল হাসান সোহান, যিনি বাংলাদেশ বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্য, প্রথমে ঢাকার লিগ ক্রিকেটের অচলাবস্থা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ফার্স্ট ডিভিশন, সেকেন্ড ডিভিশন ও থার্ড ডিভিশন নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে, তবে বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

সোহান উল্লেখ করেন, বিসিবি কিছু পদক্ষেপের কথা বলেছে, তবে তা যথাযথভাবে কার্যকর করা হয়নি। তিনি জোর দেন, শুধুমাত্র ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ নয়, সব বিভাগই একসাথে কাজ করলেই দেশের ক্রিকেট সঠিকভাবে মাঠে আসবে।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুর রহমান শুভও উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি কোয়াবের দাবি সমর্থন করে বলেন, সব স্তরে সমন্বয়হীনতা ক্রিকেটের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে।

তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদি হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাসও তাদের নিজ নিজ দৃষ্টিকোণ থেকে সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। শান্ত বললেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলছে অভ্যন্তরীণ কাঠামোর অস্থিতিশীলতা।

মেহেদি হাসান মিরাজ বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, সামাজিক মাধ্যমে ‘জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক’ ও ‘সরকারের অর্থে বিসিবি চলে’ এমন মন্তব্য প্রচলিত। তিনি স্পষ্ট করেন, এই ধরনের ধারণা বাস্তবের সঙ্গে মেলে না এবং ক্রিকেটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তথ্যের সঠিক ব্যাখ্যা দরকার।

লিটন কুমার দাসও বলেন, খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা ও ক্যারিয়ার গঠনের জন্য পরিষ্কার নীতি ও কাঠামো প্রয়োজন, যা বর্তমানে অনুপস্থিত। তিনি কোয়াবের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সমাধান না হলে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়বে।

সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মিঠুন আবার জোর দিয়ে বলেন, কোয়াবের সব সদস্যই এখনো বিসিবির সঙ্গে সমাধান খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাবে, তবে সীমা অতিক্রম করলে আইনগত বা অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন। তিনি উপস্থিত সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে বাংলাদেশের ক্রিকেট পুনরায় সঠিক পথে ফিরে আসে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments