20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানে এনটিআরসিএ নিবন্ধনধারী নিয়োগপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানে এনটিআরসিএ নিবন্ধনধারী নিয়োগপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ

গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান সমস্যার সমাধান চাওয়া এনটিআরসিএ নিবন্ধনধারী নিয়োগপ্রত্যাশীরা ঢাকার গুলশান এলাকায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন। ১৫ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় তিনটায় তিনি গুলশানের নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে উপস্থিতদের সঙ্গে কথা বলেন। এই সাক্ষাৎটি পার্টির কর্মসংস্থান নীতি ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

এনটিআরসিএ (ন্যাশনাল ট্রেনিং অ্যান্ড রিক্রুটমেন্ট কমিশন) দেশের বৃহত্তম সরকারি কর্মসংস্থান সংস্থা, যার নিবন্ধনধারী প্রার্থীরা সরকারি পদে নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করে। গত বছর থেকে নিবন্ধনধারী সংখ্যায় ধারাবাহিক বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে প্রত্যাশা ও হতাশা দুটোই বাড়ছে। গুলশানে একত্রিত হওয়া এই গোষ্ঠীটি মূলত তরুণ ও মধ্যবয়সী প্রার্থীদের নিয়ে গঠিত, যারা সরকারি চাকরির সুযোগের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে আসছে।

সেই দিন তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে গাড়ি চালিয়ে রাজনৈতিক কার্যালয়ে পৌঁছান। গন্তব্যে পৌঁছানোর সঙ্গে সাথেই তিনি গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা নিবন্ধনধারী প্রার্থীদের লক্ষ্য করেন। কার্যালয়ের দরজা খুলে তিনি প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করেন, তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই আবার গেটের বাইরে ফিরে আসেন যাতে উপস্থিতদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন।

বাহিরে দাঁড়িয়ে তারেক রহমান উপস্থিতদের স্বাগত জানিয়ে সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি একের পর এক প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেন, প্রত্যেকের দাবি ও উদ্বেগকে মনোযোগ দিয়ে শোনেন। প্রার্থীরা মূলত দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন। কিছু প্রার্থীর মতে, বর্তমান নিয়োগ পদ্ধতিতে ধীরগতি ও অস্বচ্ছতা রয়েছে, যা তাদের কর্মসংস্থান স্বপ্নকে দেরি করছে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কোনো সরাসরি প্রতিশ্রুতি না দিয়ে তিনি সকল দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পার্টি সরকারের কর্মসংস্থান নীতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বা নীতি পরিবর্তন একা পার্টির মাধ্যমে করা সম্ভব নয়; তা সরকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন।

নিবন্ধনধারী প্রার্থীরা তারেক রহমানের এই সরাসরি শোনার সুযোগকে ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানায়। তারা বলেন, রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে তাদের সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। কিছু প্রার্থীর মতে, এই ধরনের সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে আরও বেশি কর্মসংস্থান নীতি সংশোধনে সহায়তা করবে।

এই সাক্ষাৎটি দেশের রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, কারণ কর্মসংস্থান সবসময়ই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অন্যতম মূল বিষয়। বিএনপি পূর্বে কর্মসংস্থান সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে, এবং এই ধরনের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পার্টি তার নীতি প্রয়োগের ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, গুলশানে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎ পার্টির ভিত্তিক সমর্থকদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে পারে, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে। একই সঙ্গে, সরকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় না হলে দাবিগুলো বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। তাই পার্টি ও সরকার উভয়েরই এই বিষয়টি সমন্বিতভাবে সমাধান করা প্রয়োজন।

পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিএনপি তারেক রহমানের দল সম্ভবত এই সাক্ষাৎ থেকে প্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করে পার্টির কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করবে। পাশাপাশি, এনটিআরসিএয়ের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সভা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে পার্টি ও সংস্থার প্রতিনিধিরা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন।

সারসংক্ষেপে, গুলশানে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎ কর্মসংস্থান সমস্যার সমাধানে রাজনৈতিক ইচ্ছা ও নাগরিক চাহিদার মিলনবিন্দু হিসেবে কাজ করেছে। যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে পার্টি ও সরকারী সংস্থার সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হতে পারে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments