কোপেনহেগেনের আন্তর্জাতিক ডকুমেন্টারি উৎসব CPH:DOX-এ মার্চ ২০২৬-এ ‘ক্রিশ্চিয়ানিয়া’ শিরোনামের নতুন ডকুমেন্টারির বিশ্বপ্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। চলচ্চিত্রটি পরিচালক কার্ল ফ্রিস ফোরচহ্যামার এবং প্রযোজক রিক্কে তাম্বোর সহযোগিতায় তৈরি। এই কাজটি ড্যানিশ রাজধানীর ক্রিস্টিয়ানশাভন এলাকায় অবস্থিত স্বশাসিত কমিউনিটি ক্রিশ্চিয়ানিয়ার ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থাকে অনুসন্ধান করে।
১৯৭১ সালে প্রায় আটশতজন তরুণ-যুবক ও নারীরা খালি থাকা সামরিক শিবির দখল করে ক্রিশ্চিয়ানিয়া নামে একটি বিকল্প সমাজ গড়ে তোলেন। তারা অ্যানার্কিস্ট-হিপি আদর্শের ভিত্তিতে সম্মতি গণতন্ত্রের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয় এবং শহরের কেন্দ্রে একটি স্বতন্ত্র ফ্রিটাউন হিসেবে কাজ করে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ে এই কমিউনিটি নিজস্ব আইন, অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তুলেছে।
ডকুমেন্টারিটি বিশেষভাবে হ্যাশ বাজার, যাকে ‘পুশার স্ট্রিট’ বলা হয়, তার ওপর কেন্দ্রীভূত। এই বাজার এক সময় ডেনমার্কের সবচেয়ে হিংস্র এলাকায় রূপান্তরিত হয়, এবং তরুণ নারী সক্রিয়ভাবে তা বন্ধ করার চেষ্টা করে। চলচ্চিত্রে এই নারীদের সংগ্রাম ও তাদের কৌশলকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
চলচ্চিত্র নির্মাতারা কমিউনিটির অভ্যন্তরীণ সভা, ঐতিহাসিক আর্কাইভ এবং ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রবেশাধিকার পেয়েছেন। এতে বায়কার গ্যাংয়ের আক্রমণ, ফ্রিটাউনকে পুড়িয়ে ফেলতে চাওয়া দাঙ্গা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দৃশ্য অন্তর্ভুক্ত। এই উপকরণগুলো কমিউনিটির অতীত ও বর্তমানের টানাপোড়েনকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
‘ক্রিশ্চিয়ানিয়া’ সম্মতি গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা বিশ্লেষণ করে, কীভাবে স্বায়ত্তশাসিত সমাজে স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায় তা প্রশ্ন করে। পাঁচ দশক ধরে চলমান এই প্রয়োগের ফলাফল ও শিক্ষা দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি স্বশাসনের জটিলতা ও তার সামাজিক প্রভাবকে সূক্ষ্মভাবে ব্যাখ্যা করে।
কার্ল ফ্রিস ফোরচহ্যামার তার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কমিউনিটির দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্যগুলোকে বর্ণনামূলক শৈলীতে সাজিয়েছেন, আর রিক্কে তাম্বো প্রোডাকশন ও বিতরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। চলচ্চিত্রের বর্ণনা পদ্ধতি দর্শকেরকে সরাসরি কমিউনিটির হৃদয়ে নিয়ে যায়।
CPH:DOX ২০২৬ মার্চ ১১ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এবং ড্যানমার্কের বিভিন্ন পৌরসভায় DOX:DANMARK শিরোনামের অধীনে ছোটো ফেস্টিভালও পরিচালিত হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দর্শকরা আন্তর্জাতিক ডকুমেন্টারির স্বাদ নিতে পারবেন। উৎসবের সময়সূচিতে স্থানীয় ও বৈশ্ব



