চাঁদপুর জেলার মাতলাব উপজেলায় গতকাল হে-স্ট্যাকে লুকিয়ে থাকা সোনা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। শেয়ারক্রপার মোসেল মিয়া পাটের গাছের কাটা শুঁড় শুকিয়ে গুছিয়ে রাখার সময় হে-স্ট্যাকে বিশাল পরিমাণ নগদ এবং সোনার গহনা পেয়ে ৯৯৯ জরুরি নম্বরে কল করেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট সম্পদগুলো তত্ত্বাবধানে নেয়। এই ঘটনায় মোট ছয় ভোরি থেকে বেশি সোনা এবং প্রায় ২.৩৯ লক্ষ টাকা নগদ পাওয়া গেছে।
মোসেল মিয়া জানান, তিনি শুঁড় শুকিয়ে গুছিয়ে রাখার সময় হে-স্ট্যাকের ভেতরে অস্বাভাবিকভাবে ভারী কিছু বস্তু লক্ষ্য করেন। প্রথমে তা গাছের ডাল বা পাথর ভেবে দেখলেও, কাছাকাছি দেখার পর তা নগদ নোট এবং সোনার গহনা হিসেবে শনাক্ত হয়। তৎক্ষণাৎ তিনি ৯৯৯ নম্বরে সাহায্য চেয়ে ফোন করেন এবং আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা চেয়েছিলেন।
৯৯৯ জরুরি সেবার মিডিয়া ইনস্পেক্টর আনওয়ার সাতার জানান, মোসেল মিয়ার কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাতলাব থানা থেকে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দলটি হে-স্ট্যাকের ভিতরে লুকিয়ে থাকা নগদ ও সোনার গহনা সংগ্রহ করে এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করে। তদুপরি, স্থানীয় স্বর্ণকারের সহায়তায় গহনার বিশুদ্ধতা ও ওজন নির্ধারণ করা হয়।
স্বর্ণকারের পরীক্ষা অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত গহনাগুলিতে ২২ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট এবং ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণের মিশ্রণ রয়েছে। মোট ওজন ছয় ভোরি থেকে বেশি, যা স্থানীয় মাপের একক। গহনাগুলির মধ্যে আংটি, চুড়ি, হীরের সেট এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী অলংকার অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিশদ তথ্য আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত নগদ ও সোনার গহনা আইনানুগ পদ্ধতি অনুসারে জব্দ করা হয় এবং স্থানীয় আদালতে জমা করা হয়। আদালতের নির্দেশে সম্পদগুলো নিরাপদে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তীতে সঠিক মালিকের কাছে হস্তান্তর করা যায়। বর্তমানে, সম্পদের মালিকানা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।
মালিকানা নিশ্চিত হলে, আদালতের অনুমোদন নিয়ে সম্পদগুলো মূল ধারকের কাছে ফেরত দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় আইনগত দিকনির্দেশনা মেনে চলা হবে এবং কোনো অননুমোদিত হস্তক্ষেপ না করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, সম্পদের সঠিক মালিক নির্ধারণের জন্য গৃহীত সকল পদক্ষেপ স্বচ্ছ ও ন্যায়স



