23 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধবরিশাল বাকেরগঞ্জে গৃহবধূ তানিয়ার বিড়ালের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে লিখিত...

বরিশাল বাকেরগঞ্জে গৃহবধূ তানিয়ার বিড়ালের পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে গৃহবধূ তানিয়া বেগমের পোষা বিড়ালের এক পা ভেঙে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তানিয়ার প্রতিবেশী নাসিমা বেগমের হাতে একটি ভারী বস্তু দিয়ে বিড়ালকে আঘাত করা হয়, যার ফলে প্রাণীটির পা ভেঙে যায়।

তানিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহত প্রাণীকে উদ্ধার করেন এবং তা নিকটস্থ উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসা সেবা গ্রহণের পর বিড়ালটি কিছুটা স্বাস্থ্যের দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে জানা যায়।

আঘাতের পর নাসিমা বেগমের স্বামী আইউব মৃধা তানিয়ার প্রতি অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন, যা তানিয়াকে আরও উদ্বিগ্ন করে। ফলে তানিয়া শনিবার (মঙ্গলবার) বাকেরগঞ্জ থানা-তে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে নাসিমা বেগম এবং তার স্বামী উভয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

বাকেরগঞ্জ থানা উপপরিদর্শক (এসআই) রাজু আহমেদ অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, প্রাণী হিংসা সংক্রান্ত মামলায় কঠোর শাস্তি প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করা হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সালেহ আল রেজা ঘটনাটি সম্পর্কে জানিয়ে বলেন, বিড়ালটি ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং তা তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা সেবা পেয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রাণীটির সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কিছু সময় লাগবে।

এই ঘটনার পর স্থানীয় অধিবাসীরা প্রাণী সুরক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। কিছু বাসিন্দা সামাজিক মিডিয়ায় প্রাণী হিংসা বিরোধী বার্তা শেয়ার করে প্রতিবেশী সম্পর্কের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে তানিয়া এবং তার পরিবার আইনগত সহায়তা গ্রহণের জন্য স্থানীয় ন্যায়বিচার সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা দাবি করছেন যে, নাসিমা বেগমের কাজ কেবল প্রাণীকে শারীরিক ক্ষতি করেনি, বরং মানসিক আঘাতও দিয়েছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন যে, এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাণী সুরক্ষা আইন প্রয়োগের তীব্রতা বাড়ানো প্রয়োজন। তারা ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনার প্রতিরোধে প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং জনসচেতনতা ক্যাম্পেইন চালু করার পরিকল্পনা করছেন।

বাকেরগঞ্জ থানা এখনো তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছ থেকে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তদন্তের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছেন।

এই ঘটনা স্থানীয় সমাজে প্রাণী কল্যাণের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে, তবে তা বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রয়োজন। তানিয়া বেগমের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত কাজের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments