স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিচালক রত্না পাত্র আজ (১৫ জানুয়ারি) কোম্পানির শেয়ার বাজার থেকে এক মিলিয়ন শেয়ার ক্রয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ঢাকা সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ওয়েবসাইটে জমা দেওয়া ঘোষণায় উল্লেখ করেছেন যে, আগামী ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে এই শেয়ারগুলো সম্পন্ন করা হবে। ক্রয়টি মূল বাজারের পাশাপাশি ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, যা বড় পরিমাণের লেনদেনকে সহজতর করে।
এছাড়াও, ৬ জানুয়ারি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরীও একই ধরনের শেয়ার ক্রয়ের পরিকল্পনা জানিয়েছিলেন। তপন চৌধুরী ২ মিলিয়ন শেয়ার বাজার থেকে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে সংগ্রহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এবং তার সময়সীমা এখনো শেষ হয়নি। উভয় ঘোষণাই কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের একটি ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।
রত্না পাত্র ও তপন চৌধুরী দুজনই প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ. চৌধুরীর সন্তান, যার মৃত্যুর পর পরিবার ব্যবসার নেতৃত্ব গ্রহণ করেছে। এভাবে স্কয়ার গ্রুপের মূল শেয়ারধারীদের মধ্যে স্বল্প সময়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার পুনরায় ক্রয় করা হচ্ছে, যা শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করে।
আজকের লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারের দাম ২১০ টাকা ৫০ পয়সায় পৌঁছেছে। এই মূল্যে রত্না পাত্রের এক মিলিয়ন শেয়ারের মোট মূল্য প্রায় বিশ এক কোটি টাকা হয়। তপন চৌধুরীর পূর্বে ঘোষিত ২ মিলিয়ন শেয়ারের মূল্য তখন প্রায় চল্লিশ কোটি টাকা ছিল, যা শেয়ার মূল্যের সাম্প্রতিক উত্থানকে প্রতিফলিত করে। শেয়ার মূল্যের এই বৃদ্ধি বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
দুই ঘোষণার সম্মিলিত মূল্যায়ন প্রায় একষট্টি কোটি টাকা, যা কোম্পানির শেয়ার মূল্যের সাম্প্রতিক উত্থানকে প্রতিফলিত করে। শেয়ার মূল্যের এই বৃদ্ধি প্রায় এক টাকা বা প্রায় এক শতাংশের সমান, যা বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া নির্দেশ করে। একই সঙ্গে, ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে বড় লেনদেনের সম্ভাবনা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অতিরিক্ত তরলতা নিশ্চিত করে।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ২,৩৯৭ কোটি টাকার রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে। এই মুনাফা থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১,৬৪০ কোটি টাকা লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে, যা প্রতি শেয়ারে প্রায় ৭ টাকার লভ্যাংশের সমান। উচ্চ মুনাফা ও লভ্যাংশের স্তর শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বাড়িয়ে তুলেছে এবং শেয়ার মূল্যের ধারাবাহিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।
কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশের এই উচ্চ স্তর শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বাড়িয়ে তুলেছে এবং শেয়ার মূল্যের ধারাবাহিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। শেয়ার মূল্যের এই ধারাবাহিক উত্থান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসকে দেশের শীর্ষ ঔষধ উৎপাদনকারী হিসেবে তার অবস্থানকে আরও মজবুত করেছে।
শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণাগুলি কোম্পানির ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা ও আর্থিক স্বাস্থ্যের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের নিজস্ব শেয়ার ক্রয় কোম্পানির শেয়ার মূল্যের স্থিতিশীলতা ও বৃদ্ধিতে অবদান রাখে বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন। অভ্য



