27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপাবনা-১ ও ২ আসনে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের সময়সূচি নিশ্চিত, আপিল বিভাগ বাধা...

পাবনা-১ ও ২ আসনে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের সময়সূচি নিশ্চিত, আপিল বিভাগ বাধা না দেখায়

পাবনা জেলায় ১ ও ২ সংসদীয় আসনে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সীমানা অনুযায়ী আপিল বিভাগ কোনো আইনি বাধা না দেখিয়ে অনুমোদন করেছে। গেজেটের নির্দেশে সাথিয়া উপজেলা পাবনা-১ আসনে এবং সুজনগর ও বেরা একত্রে পাবনা-২ আসনে গণ্য হবে, ফলে দুই আসনের সীমা পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়েছে।

গেজেটের এই সীমানা অনুসারে, বেরা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা পাবনা-১ থেকে বাদ দিয়ে পাবনা-২ এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তবে এই সংযোজনকে অবৈধ ঘোষণা করা গেজেটের রায় আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫ জানুয়ারি থামিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে নির্বাচনের সময়সূচি বজায় থাকবে।

বিচারিকায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী আইনজীবী হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

এই সিদ্ধান্তের পূর্বে, ৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগ ২৪ ডিসেম্বর জারি করা গেজেটের মাধ্যমে পুনর্নির্ধারিত সীমানা স্থগিত করেছিল। উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর রাখা হয়েছিল। ফলে গেজেটের বৈধতা নিয়ে চলমান আইনি বিতর্কের মধ্যে সময়সীমা নির্ধারণে অতিরিক্ত দিকনির্দেশনা প্রয়োজন হয়।

১৩ জানুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনে সময়মতো নির্বাচন পরিচালনার জন্য আপিল বিভাগে আবেদন দাখিল করা হয়। আবেদনকারী ছিলেন জামায়াতের পাবনা-১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, যিনি নির্বাচনী কার্যক্রমের দ্রুত সূচনা চেয়েছিলেন। এই আবেদনটি গেজেটের সীমানা অনুসারে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দাখিল করা হয়।

পরবর্তী দিনে, ১৪ জানুয়ারি বেরা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা পাবনা-১ থেকে বাদ দিয়ে পাবনা-২ এর সঙ্গে যুক্ত করার গেজেটকে অবৈধ ঘোষণা করা উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়। এই শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, যা গেজেটের বৈধতা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর চূড়ান্ত রায়ের ভিত্তি হবে।

আদালতের এই ধারাবাহিক রায়ের ফলে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ভোটের সময়সূচি অস্থায়ীভাবে সুরক্ষিত হয়েছে। তবে গেজেটের সীমানা নিয়ে চলমান আইনি চ্যালেঞ্জের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কিছু ধাপ এখনও আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। জামায়াতের প্রার্থী মোমেন গেজেটের সীমানা অনুসারে ভোটের সময়সূচি বজায় রাখতে জোর দিয়েছেন, আর বিএনপি ও অন্যান্য দলও নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন গেজেটের সীমানা অনুযায়ী ভোটের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী কর্মী, ভোটার তালিকা ও ভোটকেন্দ্রের ব্যবস্থা সম্পন্ন করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। আদালতের রায়ের পরবর্তী ধাপের ওপর নির্ভর করে কোনো অতিরিক্ত পরিবর্তন হলে তা তৎক্ষণাৎ জানানো হবে।

ভবিষ্যতে, যদি গেজেটের সীমানা চূড়ান্তভাবে বৈধ প্রমাণিত হয়, তবে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ভোটের মাধ্যমে পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রতিনিধিত্বের জন্য ভোটাররা অংশগ্রহণ করবে। অন্যথায়, উচ্চ আদালত বা আপিল বিভাগের নতুন রায়ের ভিত্তিতে সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

সারসংক্ষেপে, আপিল বিভাগের সাম্প্রতিক আদেশ গেজেটের সীমানা অনুসারে নির্বাচনের সময়সূচি বজায় রাখার অনুমতি দেয়, তবে গেজেটের বৈধতা নিয়ে চলমান আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিবেশে সতর্কতা বজায় থাকবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments