23 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপে-কমিশন নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে বৃহস্পতিবার পূর্ণ সভা করবে

পে-কমিশন নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে বৃহস্পতিবার পূর্ণ সভা করবে

সরকারি কর্মচারীদের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনসহ বিভিন্ন ভাতা নির্ধারণের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে পে-কমিশন বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে পূর্ণাঙ্গ বৈঠক করবে। এই বৈঠকে বেতন গ্রেডের সংখ্যা, বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিয়ে আলোচনা হবে এবং কমিশনের সদস্যরা একমত হলে আজই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব বলে জানানো হয়েছে।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল বাজারে চলমান মুদ্রাস্ফীতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, আবাসন ও শিক্ষার ব্যয়কে প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচনা করে একটি সমন্বিত বেতন কাঠামো তৈরি করা। কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই সূচকগুলো ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য বেতন নীতি নির্ধারণের মূল রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।

সচিবালয়ের পুরাতন ভবনের বড় সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক, যেখানে পে-কমিশনের সব সদস্য উপস্থিত থাকবেন। সভার সূচিতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণের পাশাপাশি গ্রেড সংখ্যা, বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা এবং অবসরকালীন সুবিধা সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কমিশনের সদস্যরা যদি একমত হন, তবে আজই বেতন কাঠামো ও ভাতা সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। এ ধরনের দ্রুত সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং কর্মক্ষেত্রের মনোবল বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিপক্ষের কিছু বিশ্লেষক ও রাজনীতিবিদ বেতন বৃদ্ধি ও ভাতা নির্ধারণে বাজারমূল্য বিবেচনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে মুদ্রাস্ফীতি ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি কর্মচারীদের বাস্তব জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে, তাই এই বিষয়গুলোকে সূচক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এছাড়া, কিছু নেতা বেতন কাঠামোর স্বচ্ছতা ও সমতা নিশ্চিত করার জন্য আরও জনসামান্য পরামর্শের আহ্বান জানিয়েছেন।

পে-কমিশনের এই বৈঠক সরকারী কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। যদি বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তবে তা পরবর্তী বাজেট প্রণয়ন ও আর্থিক নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। এছাড়া, বেতন কাঠামোর পরিবর্তন সরকারী সেবা প্রদানকারীদের কর্মক্ষমতা ও মনোভাবেও প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই বৈঠক সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বেতন নীতি নিয়ে আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করবে। সরকার যদি বাজারমূল্যকে ভিত্তি করে বেতন ও ভাতা নির্ধারণে অগ্রসর হয়, তবে তা বিরোধী দলের সমালোচনা কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে, যদি সিদ্ধান্তে কোনো অসামঞ্জস্য দেখা দেয়, তবে তা বিরোধী দলের জন্য রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে।

বৈঠকের ফলাফল ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণের রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে এবং পরবর্তী অর্থবছরে বাজেট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত হবে। এই প্রক্রিয়া সরকারকে আর্থিক দায়িত্বশীলতা ও কর্মচারীদের কল্যাণের মধ্যে সমতা রক্ষা করতে সহায়তা করবে।

সারসংক্ষেপে, পে-কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বৈঠক নবম জাতীয় পে-স্কেল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকে অগ্রসর হবে, যেখানে বেতন গ্রেড, ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা সহ বিভিন্ন আর্থিক দিক বিবেচনা করা হবে। বাজারমূল্য, মুদ্রাস্ফীতি ও পরিবারিক ব্যয়কে সূচক হিসেবে গ্রহণের মাধ্যমে একটি সমন্বিত বেতন কাঠামো তৈরি করার প্রচেষ্টা সরকারী কর্মচারীদের কল্যাণ ও দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার মধ্যে সমতা রক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments