কারাবাও কাপের সেমি‑ফাইনাল প্রথম লিগে আরসেনাল ও চেলসি মুখোমুখি হয়। আরসেনাল প্রথমার্ধে দুই গোলের সুবিধা নিয়ে গেমটি নিয়ন্ত্রণে রাখে, তবে চেলসির সাবস্টিটিউট আলেজান্ড্রো গার্নাচোর দু’টি গোলের পরেও দলটি এক গোলের পিছিয়ে থাকে না। শেষ পর্যন্ত আরসেনাল তিন গোলের সুবিধা নিয়ে ম্যাচটি শেষ করে, ফলে প্রথম লিগে ৩-২ স্কোরে জয়লাভ করে।
প্রথমার্ধে আরসেনালের ডিফেন্ডার বেন হোয়াইট ডিক্লান রাইসের কর্নার থেকে সরাসরি গলে প্রথম গোল করেন। এই গোলটি আরসেনালের এই সিজনে সেট‑পিস থেকে ২৪তম গোল হিসেবে রেকর্ডে যুক্ত হয়। গেমের মাঝামাঝি সময়ে চেলসির গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজের হ্যান্ডলিং ত্রুটি দেখা দেয়; বেন হোয়াইটের নিম্ন ক্রসের সময় সানচেজের ভুল ধরা পড়ে, যা আরসেনালের দ্বিতীয় গোলের পথ খুলে দেয়। ভিক্টর গ্যোকারেস গেমের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে রাইসের লে‑অফ পাসে গলে আরসেনালের দ্বিতীয় গোল সম্পন্ন করেন।
চেলসির নতুন ম্যানেজার লিয়াম রোজেনিয়রের প্রথম হোম গেমে দলটি কঠিন মুহূর্তের সম্মুখীন হয়। আরসেনালের শারীরিক চাপ ও আক্রমণাত্মক খেলা রোজেনিয়রের দলকে বেশ কিছুবার ব্যাকহ্যান্ডে ফেলায়। তবে চেলসির তরুণ সাবস্টিটিউট আলেজান্ড্রো গার্নাচো গেমের শেষের দিকে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গোল করেন। প্রথমটি আরসেনালের দ্বিতীয় গোলের পরপরই আসে, যা স্কোরকে ২-১ করে তুলেছিল। গার্নাচোর দ্বিতীয় গোল ম্যাচের শেষের দিকে হয়, ফলে চেলসির স্কোর ২-২ হয়ে যায়।
গেমের সবচেয়ে চমকপ্রদ মুহূর্তটি আসে যখন চেলসির মিডফিল্ডার মার্টিন জুবিমেন্ডি গল পোস্টে ঠাণ্ডা মাথায় শট মারেন। গ্যোকারেসের লে‑অফ পাসের পরে জুবিমেন্ডি তার শটটি গন্তব্যে পৌঁছে দেন, যা আরসেনালের তৃতীয় গোল হয়ে গেমের প্রবাহকে আবার তাদের পক্ষে ঘুরিয়ে দেয়। এই গোলের পর আরসেনালের কোচ মিকেল আর্টেটা অবাক হয়ে চোখ মুছতে দেখেন।
ম্যাচের সমাপ্তিতে আরসেনাল প্রথম লিগে এক গোলের সুবিধা নিয়ে জয়লাভ করে, যদিও গার্নাচোর দু’টি গোল চেলসিকে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে রাখে। গেমটি আরসেনালের শারীরিক শক্তি ও সেট‑পিসের দক্ষতা প্রদর্শন করে, একই সঙ্গে চেলসির তরুণ খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। আরসেনাল এখন সেমি‑ফাইনালের দ্বিতীয় লিগে প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে তারা চেলসির সঙ্গে পুনরায় মুখোমুখি হবে এবং ফাইনালে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখবে। চেলসির জন্যও গার্নাচোর পারফরম্যান্স একটি ইতিবাচক দিক, যা পরের ম্যাচে দলকে উত্সাহিত করতে পারে।
দুই দলের পরবর্তী গেমের সময়সূচি এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে সেমি‑ফাইনালের দ্বিতীয় লিগ শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হবে। উভয় দলই প্রথম লিগের ফলাফলকে ভিত্তি করে কৌশলগত পরিবর্তন আনতে পারে, যাতে ফাইনালে পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ে।



