সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ ও ভারত ৪-৪ সমন্বয়ে সমাপ্তি পায়। ম্যাচটি থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রতিটি অর্ধ ২০ মিনিটের। উভয় দলের অভিজ্ঞতা সমান হওয়ায় শুরুর থেকেই তীব্র লড়াই দেখা যায়।
এই প্রতিযোগিতার প্রথম খেলায় দুই দলই চারটি করে গোল করে সমান স্কোরে শেষ করে। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন রাহবার খান ও মঈন আহমেদ প্রত্যেকে দু’টি করে গোলের মাধ্যমে দলকে সমান রাখে। ভারতের দিক থেকে অন্নমোল অধিকারী, লালসোয়ামপুইয়া এবং রোলুয়াপুইয়া মোট চারটি গোলের দায়িত্বে ছিলেন।
খেলাটি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। রাহবার খানের পাসে মঈন আহমেদ গলে দলকে এক গোলের সুবিধা দেয়। এই দ্রুত শুরু বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল।
কিন্তু ভারত দ্রুতই সমতা পুনরুদ্ধার করে। অন্নমোল অধিকারীর গোল স্কোরলাইনকে ১-১ করে তুলেছিল। এই মুহূর্তে উভয় দলের মধ্যে সমতা বজায় থাকে।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ আবারও নেতৃত্ব নেয়। মঈনের পাসে রাহবার খান গলে ২-১ করে বাড়িয়ে দেয়। দলটি এই সময়ে আক্রমণাত্মকভাবে খেলতে থাকে।
বিরতির ঠিক আগে ভারতের লালসোয়ামপুইয়ার শট তুহিনের পায়ে লেগে আত্মঘাতী গোল হয়ে যায়, ফলে স্কোর ২-২ হয়। এই গোলটি ভারতকে সমান করে দেয় এবং ম্যাচের উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে স্কোর ২-২ থেকেই শেষ হয়, যা উভয় দলের জন্য সমান সুযোগ নির্দেশ করে।
দ্বিতীয়ার্ধের সূচনায় লালরিনজুয়ালার পাসে রোলুয়াপুইয়া হেডে গোল করে ৩-২ করে ভারতকে এগিয়ে নেয়। এই গোলটি ভারতের আক্রমণকে নতুন দিক দেয়।
বাংলাদেশ দ্রুতই জবাব দেয়। ইনতিশারের পাসে মঈন আহমেদ শটে গোল করে স্কোর ৩-৩ করে সমান করে। দুই দলের মধ্যে সমতা বজায় থাকে এবং দর্শকরা উত্তেজনায় ভরে ওঠে।
ম্যাচের শেষের দিকে রোলুয়াপুইয়া আবারও গোল করে ৪-৩ করে ভারতকে আবার এগিয়ে নেয়। এই মুহূর্তে ভারত জয় নিশ্চিত করার পথে ছিল।
কিন্তু রাহবার খান অন্নমোল অধিকারীর ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে চমৎকার শটে গোল করে ৪-৪ সমতা বজায় রাখে। শেষ পর্যন্ত কোনো দলই জয় নিশ্চিত করতে পারে না।
খেলাটির শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ কয়েকটি সুযোগ পায়, তবে সেগুলো কাজে লাগাতে পারে না। পরের দিন একই ভেন্যুতে বাংলাদেশ মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে, যা দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে।



