22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধপ্রিয়া কাপুরের অবস্থান দাবি চ্যালেঞ্জ, কল রেকর্ডে দিল্লি অবস্থান প্রকাশ

প্রিয়া কাপুরের অবস্থান দাবি চ্যালেঞ্জ, কল রেকর্ডে দিল্লি অবস্থান প্রকাশ

দিল্লি হাই কোর্টে জমা দেওয়া স্বীকারোক্তিতে প্রিয়া কাপুর দাবি করেন যে তিনি ২১ মার্চ ২০২৫ তারিখে গুরগাঁরে উপস্থিত ছিলেন, তবে একই দিনে তার মোবাইল ফোনের কল ডিটেইল রেকর্ডে দিল্লিতে অবস্থান দেখাচ্ছে। এই তথ্যটি মঙ্গলবার রাতের দিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং টেলিভিশন প্যানেলে দ্রুত আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

প্রকাশিত রেকর্ডগুলো অনুসারে প্রিয়ার ফোনের সিগন্যাল ২১ মার্চের দিন দিল্লি অঞ্চলে ধরা পড়ে, যা তার স্বীকারোক্তির সঙ্গে সরাসরি বিরোধ সৃষ্টি করে। রেকর্ডের সত্যতা যদি আদালতে স্বীকার করা হয়, তবে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত মামলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আইনি বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, স্বীকারোক্তি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণের মধ্যে অসঙ্গতি থাকলে আদালত অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে এবং মামলার মূল দিক পুনরায় পরীক্ষা করতে পারে। বিশেষ করে এমন বড় সম্পদের ক্ষেত্রে একটিমাত্র অমিলও বৃহত্তর কাহিনীর পুনর্মূল্যায়নের কারণ হতে পারে।

সুনজয় কাপুরের দুই সন্তান, সামাইরা ও কিয়ান, ইতিমধ্যে তাদের বিরোধী দিক থেকে আপিল দাখিল করেছেন। তারা মূলত উইলটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যেখানে বানান ভুল, পরীক্ষকের লিঙ্গ নির্দেশক শব্দের ভুল ব্যবহার এবং নথির অভ্যন্তরীণ অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এসব ত্রুটি পৃথকভাবে ছোট বলে মনে হতে পারে, তবে সমষ্টিগতভাবে এগুলোকে যথাযথভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন বলে তারা দাবি করেন।

বড় সম্পদের উইল প্রস্তুতিতে যথাযথতা অপরিহার্য, এ বিষয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট অশোক পারঞ্জপের মন্তব্য উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এত বড় সম্পদের ক্ষেত্রে নথিপত্রে কোনো ত্রুটি না থাকা উচিত এবং সাক্ষীদের সত্যিকারের গवाही গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবার আইন বিশেষজ্ঞ মৃণালতা চৌধুরীও এ বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, স্বীকারোক্তি ও প্রযুক্তিগত প্রমাণের মধ্যে পার্থক্য থাকলে তা কেবল আইনি প্রক্রিয়াকে জটিল করে না, বরং সম্পদের বণ্টনেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এই মুহূর্তে আদালত রেকর্ডের প্রামাণিকতা যাচাই করার জন্য অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। যদি রেকর্ডকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তবে প্রিয়ার গুরগাঁর উপস্থিতি নিয়ে তার স্বীকারোক্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং উইলটির বৈধতা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

অন্যদিকে, সুনজয়ের সন্তানদের আপিলের ভিত্তিতে উইলটির বানান ও ব্যাকরণগত ত্রুটি নিয়ে অতিরিক্ত প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। আদালত উভয় পক্ষের উপস্থাপিত নথি ও ইলেকট্রনিক ডেটা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে যে কোন দিকটি অধিক প্রমাণভিত্তিক।

আসন্ন শুনানিতে উভয় পক্ষের আইনজীবী দল রেকর্ডের উৎস, ডেটা সংরক্ষণের পদ্ধতি এবং স্বীকারোক্তির সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত। আদালত রেকর্ডের প্রমাণিকতা নিশ্চিত হলে, সম্পদের বণ্টন ও উত্তরাধিকারীর অধিকার পুনরায় নির্ধারণের সম্ভাবনা বাড়বে।

মামলাটি এখন পর্যন্ত দেশের বৃহত্তম উত্তরাধিকার বিরোধের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, এবং এর ফলাফল ভবিষ্যতে অনুরূপ সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় রেফারেন্স হিসেবে কাজ করতে পারে। সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের জন্য এখনই গুরুত্বপূর্ণ হলো যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন এবং আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রাখা।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Bollywood Hungama
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments