ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ১৭ জানুয়ারি ঢাকায় এক দিনের SAFA আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। এই ইভেন্টে দেশীয় ও বিদেশি হিসাবরক্ষক, নীতি নির্ধারক এবং শিল্প বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত। সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হল হিসাবরক্ষণ পেশার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণ।
সম্মেলনটি আন্তর্জাতিক হিসাবরক্ষণ ফেডারেশন (IFAC) সহ বহু বিদেশি প্রতিনিধির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হবে। IFAC, যা বিশ্বব্যাপী হিসাবরক্ষকদের শীর্ষ সংস্থা, তার সভাপতি সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ স্থানীয় পেশার গ্লোবাল সংযোগকে শক্তিশালী করবে।
ইভেন্টটি লে মেরিডিয়েন ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে, যা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ প্রদান করে। আইসিএবি সভাপতি এনকেএ মোবিন এই বিষয়টি ক্যা ভবনে একটি প্রেসব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন।
প্রেসব্রিফিংয়ে মোবিন ভবিষ্যৎ হিসাবরক্ষণে নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং টেকসই রিপোর্টিংয়ের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই দুই উপাদান একত্রে পেশার বিশ্বাসযোগ্যতা ও সামাজিক দায়িত্বকে পুনর্গঠন করবে।
মোবিনের মতে, বর্তমান প্রযুক্তি শুধুমাত্র উন্নয়নকে সহায়তা করে না, বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল পেশাগত পরিবেশে এই প্রযুক্তিগত প্রবণতা নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ উন্মোচন করছে।
পরবর্তী প্রজন্মের হিসাবরক্ষককে অ্যালগরিদমিক নৈতিকতা পরিচালনা এবং অ-আর্থিক প্রভাবের মূল্যায়ন দুটোই আয়ত্ত করতে হবে। এই দ্বৈত দক্ষতা স্টেকহোল্ডারদের আস্থা অর্জন এবং টেকসই বৃদ্ধির জন্য মূলধন প্রবাহকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দেশের শাসনব্যবস্থা, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি উন্নত করতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। স্মার্ট গভার্নেন্সের মাধ্যমে নীতি বাস্তবায়ন দ্রুততর হবে, ফলে বিনিয়োগের পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হবে।
সম্মেলনের উদ্বোধন বিদেশি উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে করবেন। তার উপস্থিতি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মান



