19 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধসুবর্ণচর মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী নিয়ে পালানোর অভিযোগে অগ্নিকাণ্ড

সুবর্ণচর মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী নিয়ে পালানোর অভিযোগে অগ্নিকাণ্ড

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার সৈয়দ মুন্সি বাড়ি মাদ্রাসার ৩৫ বছর বয়সী প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে ১২ বছর বয়সী এক সাবেক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগ অনুসারে, শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্রীটির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং ৭ জানুয়ারি তিনি তাকে নিয়ে গিয়ে অদৃশ্য হন।

অভিযুক্তের গৃহীত পদক্ষেপের পর, ভুক্তভোগীর পরিবার মাদ্রাসার দরজা ও জানালায় তালা ঝুলিয়ে দেয়, ফলে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ থাকে। বন্ধের সময়কালে, ১৩ জানুয়ারি রাত ১১টা অর্ধে থেকে ১২টার মধ্যে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মাদ্রাসায় অগ্নিকাণ্ড ঘটায়।

আগুনের শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, মাদ্রাসার কাঠের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছানো পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎক্ষণাৎ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ধ্বংসের পরিমাণ কমাতে কাজ করে।

চরজব্বর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু কাউছার জানান, মাদ্রাসা বন্ধের সময় পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার পরেও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাতের পেছনে কী কারণ ছিল তা এখনও পরিষ্কার নয়।

পুলিশের ওসি মো. লুৎফুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর তারা প্রথমে অগ্নি নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেন এবং পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মামলাটি গৃহীত হয়েছে এবং সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার জন্য অনুসন্ধান চালু রয়েছে।

মাহমুদুল হাসান, যিনি ফিরোজপুর জেলার বাসিন্দা, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিযোগ অনুসারে, তিনি ছাত্রীটির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর ৭ জানুয়ারি রাতে তাকে নিয়ে গিয়ে অদৃশ্য হন এবং এখন পর্যন্ত পলাতক অবস্থায় রয়েছেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রীটি বর্তমানে সদর উপজেলার নুরু পাটোয়ারীহাট মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি পূর্বে সৈয়দ মুন্সি বাড়ি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন, যেখানে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার বন্ধের সময় পরিবার ও প্রতিবেশীরা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানায়। তবে, এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক গ্রেফতার হয়নি এবং সন্দেহভাজনের অবস্থান অজানা।

অগ্নিকাণ্ডের পর মাদ্রাসার কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

পুলিশের মতে, অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, তবে মাদ্রাসার সম্পত্তি উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও দায়ী ব্যক্তিদের সনাক্তকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই ঘটনার পর, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা একত্রে কাজ করে মামলার দ্রুত সমাধান ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

মামলাটি বর্তমানে নোয়াখালীর থানার অধীনে চলমান এবং সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য সংগ্রহের পর যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments