সরকারি কর্মচারীরা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে একদিনের ছুটি নিলে টানা চারদিনের অবকাশ উপভোগের সুযোগ পেতে পারেন। এই ব্যবস্থা আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি শবে বরাতের সঙ্গে যুক্ত এবং সরকারী ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। শবে বরাতের তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চূড়ান্ত ঘোষণা এখনও চাঁদ দেখার পরেই হবে।
সরকারি ছুটির তালিকায় ৪ ফেব্রুয়ারি শবে বরাতের দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। তালিকাটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে শবে বরাতের দিনটি চাঁদ দেখার মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
শবে বরাতের দিনটি যদি চাঁদ দেখার মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হয়, তবে পরের দিন, অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, যদি কর্মচারীরা একদিনের ছুটি নেয়, তবে তারা শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে চারদিনের ধারাবাহিক ছুটি পাবেন। এই ধারাবাহিকতা বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, কারণ রবিবারও সরকারি কর্মস্থলে স্বাভাবিকভাবে ছুটি থাকে।
প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে শবে বরাতের দিনটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল, ফলে চূড়ান্ত ছুটির তারিখের নিশ্চিতকরণ সরকারী দপ্তরে চাঁদ দেখার পরেই হবে। চাঁদ দেখার ফলাফল যদি ৪ ফেব্রুয়ারি শবে বরাতের দিন হিসেবে নিশ্চিত হয়, তবে উল্লিখিত চারদিনের ছুটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই ছুটির বিষয়ে এক নির্বাহী আদেশ জারি করেছে, যেখানে ছুটির শর্তাবলী এবং তারিখের নির্ভুলতা উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে যে শবে বরাতের দিনটি চাঁদ দেখার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত ছুটির ঘোষণা অস্থায়ী রূপে থাকবে।
এই ঘোষণার পর থেকে বিরোধী দলের কোনো রাজনৈতিক সংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সরকারী দপ্তরে ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে বিরোধী পক্ষের কোনো প্রকাশ্য অবস্থান এখনো জানানো হয়নি।
বিস্তৃত ছুটির ফলে সরকারি সেবার সময়সূচিতে সাময়িক পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে শবে বরাতের দিন এবং তার পরের ধারাবাহিক ছুটির সময়ে দপ্তরগুলোতে কাজের গতি কমে যাওয়া স্বাভাবিক, ফলে কিছু সেবা সাময়িকভাবে বিলম্বিত হতে পারে। তবে সরকারী দপ্তরগুলো এই পরিবর্তনের জন্য পূর্বেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
শবে বরাতের চাঁদ দেখার ফলাফল যদি প্রত্যাশিতভাবে ৪ ফেব্রুয়ারি নিশ্চিত হয়, তবে ৫ ফেব্রুয়ারি একদিনের ছুটি নেওয়া সরকারি কর্মচারীদের জন্য চারদিনের বিশ্রাম প্রদান করবে। এই ব্যবস্থা কর্মচারীদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার উদ্দেশ্য বহন করে।
সুতরাং, শবে বরাতের চাঁদ দেখার ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি কর্মচারীরা একদিনের ছুটি নিলে টানা চারদিনের অবকাশের সুবিধা নিতে পারবেন। এই ছুটির বাস্তবায়ন ও তার পরবর্তী প্রভাব সরকারী দপ্তরের পর্যবেক্ষণে থাকবে।



