27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তি মৃতদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তি মৃতদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় হ্নীলা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে বুধবার সকাল ১৪ জানুয়ারি গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল ছিল বিকাশ মোড়ের কাছাকাছি, যেখানে স্থানীয়রা শিকারের পর পুলিশকে জানায়।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) দ্রুত现场ে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এপিবিএন ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক সুশান্ত কুমার সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

মৃতদেহের পরিচয় হয় ৫০ বছর বয়সী আব্দুর রহিম হিসেবে, যিনি হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া এলাকায় বাস করতেন এবং হাবিবুর রহমানের পুত্র ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানানো যায়, আব্দুর রহিমকে দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত ডাকাত হিসেবে চেনা যায় এবং তার বিরুদ্ধে ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

পুলিশের মতে, গুলির শব্দটি মঙ্গলবার মধ্যরাতে নোয়াপাড়া ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে শোনা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা রাত্রি শেষে গুলির গর্জন শুনে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন এবং পরের ভোরে ফজরের নামাজের সময় বিকাশ মোড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহটি দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ তারা নিকটস্থ এপিবিএন স্টেশনে ঘটনাটি জানায়।

পরিদর্শক সুশান্ত কুমার সরকার জানান, পুলিশ স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়কের পাশে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গুলির শব্দের পর ভোরের সময় দেহটি রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা নির্দেশ করে যে গুলি করা হয়েছিল রাতে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করে যে এই হত্যাকাণ্ডটি সম্ভবত ডাকাতদলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ বা ক্ষমতার লড়াইয়ের ফল হতে পারে। তবে, ঘটনাটির সঠিক কারণ ও দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আরও বিশদ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আব্দুর রহিমের অপরাধমূলক পটভূমি বিবেচনা করে, পুলিশ তার পূর্বের মামলাগুলোর রেকর্ডও পর্যালোচনা করছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে ডাকাতি, চুরি এবং অন্যান্য অপরাধ অন্তর্ভুক্ত, যা এই ঘটনার পটভূমি বোঝাতে সহায়তা করতে পারে।

মৃতদেহটি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে, যেখানে ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও গুলির দিক নির্ধারণ করা হবে। মর্গের রিপোর্ট শেষ হওয়ার পর ফলাফল অনুযায়ী মামলার আইনি প্রক্রিয়া চালু হবে।

পুলিশ বর্তমানে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত প্রমাণ, গুলির গুলি, এবং স্থানীয়দের বিবরণ সংগ্রহ করে তদন্তকে ত্বরান্বিত করছে। ভবিষ্যতে কোনো সন্দেহভাজন বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবার ও সম্প্রদায়ের প্রতি সংবেদনশীলতা বজায় রেখে, কর্তৃপক্ষ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে এবং তদন্তের অগ্রগতি জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments