28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধটেনেসি বাসী নিকোলাস মোরের সুপ্রিম কোর্ট হ্যাকিং মামলায় দোষ স্বীকারের শপথ

টেনেসি বাসী নিকোলাস মোরের সুপ্রিম কোর্ট হ্যাকিং মামলায় দোষ স্বীকারের শপথ

টেনেসি রাজ্যের স্প্রিংফিল্ডে বসবাসকারী ২৪ বছর বয়সী নিকোলাস মোরকে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ইলেকট্রনিক নথি দাখিল ব্যবস্থা হ্যাক করার অভিযোগে দোষ স্বীকারের শপথ নিতে বলা হয়েছে। প্রোসিকিউশন জানিয়েছে, আগস্ট থেকে অক্টোবর ২০২৩ পর্যন্ত মোর ২৫টি ভিন্ন দিনে অনুমোদনহীনভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে সুরক্ষিত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এই হ্যাকিংয়ের সুনির্দিষ্ট বিষয়বস্তু ও প্রাপ্ত তথ্যের ধরণ বর্তমানে প্রকাশ্যে না থাকলেও, আদালতের নথিতে উল্লেখ আছে যে তিনি সুরক্ষিত কম্পিউটারে অনধিকার প্রবেশ করেছেন।

প্রোসিকিউশন দল দাবি করে, মোরের এই কাজগুলো বহুবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে এবং প্রতিটি ঘটনার মধ্যে তিনি সিস্টেমে অননুমোদিতভাবে প্রবেশের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন। হ্যাকিংয়ের সময়সীমা আগস্টের শেষের দিকে শুরু হয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলেছে, এবং মোট ২৫টি পৃথক দিনে এই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ।

মোরকে শুক্রবার ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকারের শপথ নিতে হবে। শপথের সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করবেন যে তিনি ইলেকট্রনিক ফাইলিং সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ করেছেন এবং সুরক্ষিত তথ্য অর্জন করেছেন। এই শপথের পর আদালতে তার জন্য সম্ভাব্য শাস্তি নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলবে।

ডিসি জেলা আদালতের একজন মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন, প্রোসিকিউশন ইতিমধ্যে প্রকাশ্য তথ্যের বাইরে কোনো অতিরিক্ত বিবরণ প্রদান করতে পারছে না। তিনি আরও জানিয়েছেন, মামলার বর্তমান অবস্থা ও শপথের তারিখই জনসাধারণের জন্য উপলব্ধ তথ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রতিনিধিরা টেকক্রাঞ্চের তথ্য চাওয়া অনুরোধের জবাবে তৎক্ষণাৎ কোনো মন্তব্য করেননি। তাই ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিসের পক্ষ থেকে এই মামলায় অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

মোরের আইনজীবী ইউজিন ওহমও টিপ্পনী ইমেইল পাওয়া সত্ত্বেও কোনো মন্তব্য দেননি। তাই তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এই মামলাটি প্রথমবার সনাক্ত করেন কোর্ট ওয়াচের গবেষক ও সাংবাদিক সেমাস হিউজ। তিনি আদালতের নথি পর্যবেক্ষণ করে হ্যাকিংয়ের প্রমাণ পেয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেন। হিউজের অনুসন্ধান মামলাটিকে জনসাধারণের দৃষ্টিতে আনে।

সুপ্রিম কোর্টের সিস্টেমের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য আদালতও অতীতে হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। বিশেষ করে ফেডারেল আদালতের ইলেকট্রনিক রেকর্ড সিস্টেমে পূর্বে বেশ কয়েকটি সাইবার আক্রমণ ঘটেছে, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

ফেডারেল বিচারিক সংস্থা, যা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিচারব্যবস্থা তত্ত্বাবধান করে, আগস্ট মাসে জানিয়েছে যে তারা ইলেকট্রনিক রেকর্ড সিস্টেমে সাইবার আক্রমণের পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করেছে। এই পদক্ষেপের মধ্যে সিস্টেমের ফায়ারওয়াল আপডেট, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের কঠোরতা এবং পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়ার উন্নতি অন্তর্ভুক্ত।

সেই একই সময়ে, রাশিয়ান সরকারের সাথে যুক্ত হ্যাকার গ্রুপকে এই আক্রমণের দায়ী করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক অফিসের মতে, রাশিয়ান হ্যাকাররা ইলেকট্রনিক আদালত রেকর্ডে অনুপ্রবেশ করে সংবেদনশীল তথ্য চুরি করার চেষ্টা করেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।

এই মামলার বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য বা সমজাতীয় সাইবার আক্রমণ সংক্রান্ত কোনো সূত্র থাকলে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে নিরাপদ চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা নির্ধারিত যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: TechCrunch
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments